দেশজুড়ে

কক্সবাজারে দলবদ্ধ ধর্ষণ: তিনদিনের রিমান্ডে আশিক-বাবু

কক্সবাজারে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আশিকুল ইসলাম আশিক এবং দুই নম্বর আসামি মেহেদী হাসান বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর এবং বিকেলে পৃথক শুনানি শেষে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবুল মনসুর ছিদ্দিকী এ আদেশ দেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ট্যুরিস্ট পুলিশ) মহিউদ্দিন আহমেদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, সকালে মামলার প্রধান আসামি আশিককে এবং বিকেলে মেহেদী হাসান বাবুকে আদালতে তুলে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে দুজনের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন বলেন, এ মামলার বাকি পাঁচ আসামির রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তারা কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

গত ২২ ডিসেম্বর রাতে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে কক্সবাজার শহরের জিয়া গেস্ট ইন ও সৈকত পোস্ট অফিসের পেছনে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও র্যাব।

মামলার আসামিরা হলেন-শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম আশিক, মোহাম্মদ শফি ওরফে ইসরাফিল হুদা জয় ওরফে জয়া, মেহেদী হাসান বাবু ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।

মামলায় এখন পর্যন্ত মোট সাতজন গ্রেফতার হয়েছেন। প্রধান আসামি আশিককে গত ২৭ ডিসেম্বর মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে তাকে ঢাকার আদালতে তোলা হয়।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/এএসএম