আন্তর্জাতিক

কানাডায় বদলে যাচ্ছে প্রিন্স অ্যান্ড্রু স্কুলের নাম

যৌন হয়রানির দায়ে সম্প্রতি ব্রিটিশ রাজ পরিবারের পদ-পদবি খুয়েছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। তিনি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দ্বিতীয় সন্তান। যুক্তরাষ্ট্রে যৌন হয়রানির মামলায় লড়ছেন তিনি। এবার কানাডায় প্রিন্স অ্যান্ডুর নামে এক স্কুলের নামও বদলে ফেলা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

Advertisement

জানা গেছে, প্রিন্স অ্যান্ডুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ও মামলার কারণে কানাডার নোভা স্কটিয়ার ডার্টমাউথের প্রিন্স অ্যান্ডু উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম বদলে ফেলা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

স্কুলটির প্রিন্সিপাল ক্রেগ ক্যাম্পবেল এক ইমেইল বার্তায় বলেন, প্রিন্স অ্যান্ড্রু সম্পর্কে নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে আমরা নাম পরিবর্তন করছি। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি স্কুলের কমিউনিটির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একটি নাম রাখা হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানটির ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা ছাত্র, কর্মচারী এবং সম্প্রদায়ের সদস্যদের দ্বারা গঠিত নাম পরিবর্তন কমিটির কাছে নতুন নামের প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। পরে সেখান থেকে শীর্ষ তিনজনের নাম বাছাই করে হ্যালিফ্যাক্স আঞ্চলিক শিক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই স্কুলের নাম চূড়ান্ত হবে।

Advertisement

এ মাসের শুরুতে নিউইয়র্কের একটি আদালতে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে করা যৌন হয়রানির মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এমন নিদ্ধান্ত নিলো।

সম্প্রতি বাকিংহাম প্যালেস থেকে এক ঘোষণায় জানানো হয়, যৌন হয়রানির অভিযোগে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সদস্য ও প্রিন্স চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুর রাজকীয় ও ডিউক অব ইয়র্ক হিসেবে প্রাপ্ত সামরিক পদবী বাতিল করেছেন রানি এলিজাবেথ।

৬১ বছর বয়সী প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে করা মামলায় ভার্জিনিয়া জিউফ্রে নামের এক নারী দাবি করেন, অ্যান্ড্রু ২০০১ সালে তাকে অপব্যবহার করেছিলেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। তবে বাকিংহাম প্যালেস বলেছে, তারা চলমান আইনি বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবে না।

এছাড়া শিশু-কিশোরীদের পাচার ও জোর করে যৌনদাসীর কাজ করানোর মতো গুরুতর অভিযোগে কারাবাসে ছিলেন মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইন। পরে তিনি কারাগারেই মারা যান। এই অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। এপস্টেইনকে অনেকবারই দেখা গেছে প্রিন্স অ্যান্ডুর সঙ্গে। এসব অভিযোগ আসার পর ডিউক অব ইয়র্ককে ২০১৯ সালে তার দায়িত্ব থেকে সরে যেতে বলা হয়।

Advertisement

সূত্র: সিএনএন

এসএনআর/এমএস