জাতীয়

দেড় বছরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৩১৭

হলি আর্টিজানে হামলার পর জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) গঠন করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট নামে এ বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট। এরপর থেকে শুধু ঢাকাই নয়, ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন জেলায় জঙ্গি আস্তনাসহ বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে আসছে সিটিটিসি।

Advertisement

পাশাপাশি দেশব্যাপী সেমিনারসহ নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জঙ্গিবাদবিরোধী সামাজিক কার্যক্রমও চালাচ্ছে এ ইউনিট। এছাড়াও উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে গঠিত পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটও (এটিইউ) জঙ্গিদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে।

অন্যদিকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) জঙ্গিদের শুধু আইনের আওতায়ই আনছে তা নয়, তারা জঙ্গিদের পুনর্বাসনে ডিরেডিকালাইজেশনেরও কাজ করছে।

শুধু সিটিটিসিই নয়, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পাশাপাশি জেলা ও মেট্রো ইউনিটগুলো মামলা নিষ্পত্তিতে দেখিয়েছে মুনশিয়ানা।

Advertisement

বর্তমানে জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের বড় সাফল্য এসেছে। পুলিশের তৎপরতায় জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়ে জঙ্গিবাদকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের এই সাফল্য আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত হয়েছে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) পুলিশ সদরদপ্তরের এক পরিসংখ্যান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেড় বছরে ৩১৭ জনকে জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিটিটিসি, র‍্যাব, এটিইউ সিআইডি ও পিবিআইয়ের পাশাপাশি জেলা ও মেট্রো ইউনিটগুলো মামলা নিষ্পত্তিতে দেখিয়েছে মুনশিয়ানা। এসব মামলার তদন্ত পুলিশ সক্ষমতা ও দক্ষতা উন্নয়নের পরিচয় দিয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

পাশাপাশি দেশের প্রধান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুলিশ ঈদ-পূজা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ সব জাতীয় ও স্থানীয় ইভেন্ট/ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

Advertisement

টিটি/এএএইচ