দেশজুড়ে

পেট্রাপোলে আন্দোলন: বেনাপোলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আমদানি-রপ্তানি

ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর ব্যবহারকারী চারটি সংগঠনের ডাকা ধর্মঘটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে বেনাপোল স্থলবন্দর।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) সকালে পেট্রাপোল এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রদীপ দে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানি কাজে বন্দর অভ্যন্তরে প্রবেশসহ নানা হয়রানি বন্ধ না হলে আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে চারটি সংগঠন। একই সমস্যার কারণে গত সপ্তাহে দুদিন চার ঘণ্টা করে বাংলাদেশে পণ্য রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল।

বনগাঁ গুডস ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খোকন পাল বলেন, বিএসএফ পেট্রাপোল আইসিপিতে ঢুকতে বাধা দেয়া হয় পরিবহন কর্মীদের। পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের আইসিপিতে ঢুকতে দেওয়ার দাবিতে সোমবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র জানান, করোনার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। আগে যেখানে ২৪ ঘণ্টায় ৭০০-৭৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানি হতো। করোনার কারণে সেটি ৩০০টিতে ঠেকেছে। এরপর নতুন ল্যান্ড পোট ম্যানেজার ব্যবসায়ীদের কোনো কথা না বলে বন্দর এলাকায় প্রবেশের ওপর নতুন আইন তৈরি করে আমাদের বাণিজ্যে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বা পেট্রাপোল বন্দরে ধর্মঘটের কোনো পত্র আমরা পাইনি। শুনেছি ওপারে এলপি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী ও ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন আন্দোলন করছেন। তবে আন্দোলন না করার জন্য ওপারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠক চলছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও আমাদের বন্দরে লোড আনলোড প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকবে।

মো. জামাল হোসেন/আরএইচ/জিকেএস