পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ৬০তম রিজেন্ট বোর্ড সভা বাতিল করেন উপাচার্য ড. এম রোস্তম আলী।
বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্যের ভাতিজিসহ বেশ কিছু নিয়োগ নিয়ে আপত্তি উঠলে হট্টগোল শুরু হয়।
এসময় শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ভিসিকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এম আব্দুল আলীম বলেন, পূর্বনির্ধারিত এ সভা বেলা ১১টায় উপাচার্যের কক্ষে শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরই হট্টগোল শুরু হয় এবং সভা পণ্ড হয়ে যায়। পরে শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপাচার্যকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. বিজন কুমার ব্রহ্ম জানান, অর্ধ শতাধিক নিয়োগ, আপগ্রেডেশন ও শিক্ষকদের এমফিল পিএইচডি অনুমোদনের দাবি ছিল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। ভিসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি। সভা স্থগিত হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা দাবি আদায়ের জন্য ভিসির কক্ষের সামনে অবস্থা নেন।
তিনি আরও জানান, বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আলাপ-আলোচনা চলছিল। একটা সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রিজেন্ট বোর্ড সদস্য ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু জানান, সভায় বেশ কয়েকজন সদস্য ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। তিনি শরীরে যান সভায়। ভিসি সভা বাতিল ঘোষণার পর তিনি সভাস্থল থেকে চলে এসেছেন।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয় হট্টগোলের সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। ভিসি অবরুদ্ধ এমন তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে ভিসির কক্ষের সামনে জটলা করে রয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য ড. এম রোস্তম আলী জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক তিনি রুটিন কাজ করেছেন। নিয়োগ বা অন্যান্য কোনো বিষয়ে আলাপ আলোচনা হয়নি। তাকে অবরুদ্ধ হরা হয়নি এবং স্বভাবিকভাবেই কাজ-কর্ম করছেন।
আমিন ইসলাম জুয়েল/আরএইচ/এএসএম