দেশজুড়ে

বাথান থেকে ডাকাতি হওয়া ৫ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৬

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ভিটাপাড়া বাথান থেকে আ. খালেক প্রামাণিক নামে এক খামারির ডাকাতি হওয়া ১০টি গরুর মধ্যে পাঁচটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আ. খালেক প্রামাণিকের ছেলে আবু সাঈদ বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পাঁচটি গরু উদ্ধার হয়েছে। বাকি পাঁচটিও উদ্ধারে আশ্বাস দিয়েছে সাঁথিয়া থানা পুলিশ।

আবু সাঈদ বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ২টার দিকে পাবনা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বাথান থেকে ডাকাতরা আমার ভাই মোতালেব ও কর্মচারীদের মেরে হাত-পা বেঁধে রেখে গরুগুলো ট্রাকে করে নিয়ে পালিয়ে যায়। ডাকাতরা আসার আগ পর্যন্ত মহাসড়কে পুলিশের টহল ছিল। আবু সাঈদ আরও বলেন, গরু পালনের আয়ের টাকায় আমাদের সংসার চলে। দুসপ্তাহ আগে আমরা পাবনা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে বাথানে গরুগুলোকে খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাই। বাথানে ঘাস খাওয়ানোর পর রাতে পাশের শেডে গরুগুলো রেখেছিলাম। গরুগুলোকে মোতালেব নিজে ও তার দুই সহযোগী পাহারায় রেখেছিল। দিনগত রাত ২টার দিকে ১০-১৫ জন ডাকাত গরুর শেডে ডাকাতির উদ্দেশ্যে ঢুকে পড়ে। এ সময় মোতালেব ও তার সহযোগীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের বেঁধে মারধরের গরুগুলোকে ট্রাকে তুলে নিয়ে চলে যায়।

খামার মালিকের ছেলে মোতালেব বলেন, ডাকাতরা ট্রাক নিয়ে এসেছিল। ডাকাতি হওয়ার জায়গার পাশে মহাসড়কে পুলিশের নিয়মিত টহল দল থাকে। ওইদিন রাতেও টহল পুলিশ ছিল। রাত দুইটার দিকে টহল পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই ডাকাত দল এসে হানা দিয়ে গরুগুলো নিয়ে চলে যায়।

মোতালেব আরও বলেন, গরুগুলো হারিয়ে আমরা কীভাবে সংসার চালাবো সে চিন্তায় অস্থির ছিলাম। তবে শনিবারের মধ্যে পাঁচটি গরু উদ্ধার হওয়ায় আমরা খুশি। আমরা পাবনা পুলিশ সুপার, সাঁথিয়া থানার ওসিসহ সবাইকে ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম শনিবার রাতে জাগো নিউজকে বলেন, অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। আমি নিজেও অভিযানিক দলে রয়েছি। বিস্তারিত প্রেস বিফ্রিংয়ের মাধ্যমে পরে জানানো হবে।

আমিন ইসলাম জুয়েল/এসজে