দেশজুড়ে

নবজাতকের কপাল কাটার ঘটনায় পরিবারের পাশে মানবাধিকার কমিশন

ফরিদপুরে সিজারের সময় নবজাতকের কপাল কাটার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বুধবার (২ মার্চ) উপপরিচালক সুস্মিতা পাইক স্বাক্ষরিত এক নোটিশ জারি করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

ফরিদপুরের আল মদিনা প্রাইভেট হাসপাতালে নবজাতকের কপাল কাটার ঘটনায় জাগো নিউজসহ অন্যান্য গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। স্বপ্রণোদিত হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে ক্ষতিপূরণ আদায়ের লক্ষ্যে অভিযোগ নিয়েছে কমিশন।

এর আগে, ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তদন্ত করে এর সত্যতা পায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এর জের ধরে আগামী ৪ এপ্রিল কমিশনের ভার্চুয়াল কোর্টে উপস্থিত হওয়ার জন্য আল মদিনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বরাবর একটি নোটিশ জারি করেছে কমিশন।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জারিকৃত নোটিশে বলা হয়, কেন হাসপাতালের পক্ষ থেকে ভিকটিমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না তা ব্যাখ্যা করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কমিশনের ভার্চুয়াল শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া এ শুনানিতে ভিকটিমের প্রতিনিধিকেও উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় গত ২ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের আদালতে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবার।

ওই মামলায় আসামি করা হয় আল মদিনা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকারিয়া মোল্লা পলাশ, পরিচালক মো. আল হেলাল মোল্লা টগর, মো. গোলাম কিবরিয়া রাসেল, রহিমা রহমান, মো. আরিফুজ্জামান সবুজ ও হাসপাতালটির আয়া চায়না আক্তারকে।

এ বিষয়ে নবজাতকের বাবা শফি খান জাগো নিউজকে বলেন, এটি আমার প্রথম বাচ্চা। তাকে নিয়ে আমাদের পরিবারের অনেক স্বপ্ন ছিল। যে স্বপ্নটা তারা শুরুতেই নষ্ট করে দিয়েছে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এন কে বি নয়ন/এফএ/এএসএম