নোয়াখালীর চাটখিলের নিখোঁজ শিশু আছমা আক্তারের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার চাচাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২ এপ্রিল) রাতে শাহাদাতের দেখানো বাড়ির পাশের একটি সেপটিক ট্যাংকি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মো. শাহাদাত হোসেন (২২) চাটখিল উপজেলার মেঘা গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি সম্পর্কে নিহতের চাচাতো ভাই।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২৪ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আছমা আক্তার নিখোঁজ হয়। তাকে না পেয়ে পরদিন চাটখিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুর বাবা মো. শাহাজাহান। এনিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও শিশুটির সন্ধান পায়নি। ঘটনার তদন্তে গিয়ে শাহাদাতের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে নজরদারিতে রাখে পুলিশ।
পরে শনিবার শাহাদাতকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। মরদেহ বস্তাবন্দি করে গুমের জন্য টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকির মধ্যে ফেলে দেন। রাতেই চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন আসামিকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে শিশু আছমার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে।
এর আগে ২৪ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে শিশুটি আর ফিরে আসেনি। আছমার মৃত্যুর খবরে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ইকবাল হোসেন মজনু/আরএইচ/এএসএম