দেশজুড়ে

যাত্রীর চাপ নেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

ঈদকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেশি থাকলেও সোমবার (০২ মে) তুলনামূলক কম লক্ষ্য করা গেছে। সেইসঙ্গে ঘরমুখো যাত্রীর চাপও নেই বললেই চলে।

এবার ছুটি একটু লম্বা হওয়ায় ঈদের একদিন হাতে রেখেই বেশিরভাগ মানুষ বাড়ি পৌঁছে গেছেন। তবে শেষ সময়েও কিছু যাত্রীকে গ্রামে যেতে দেখা গেছে। যাত্রীর চাপ না থাকলেও বাস মালিকরা বেশি ভাড়া আদায় করছেন এমন অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

সোমবার (২ মে) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে সরেজমিনে গিয়ে এমনই চিত্র চোখে পড়ে।

কাচঁপুর হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রায় ৫২ হাজার যানবাহন চলাচল করেছে। শনিবার চলাচল করে প্রায় ৪৯ হাজার যানবাহন। আর গতকাল চলাচল করেছে প্রায় ৪৩ হাজার যানবাহন।

এদিকে তেমন যাত্রী না থাকায় যাত্রীদের জন্য খালি বাস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। টিকিট কাউন্টারে যাত্রী না থাকায় অনেকটাই হতাশ টিকিটি বিক্রেতারা।

কাউন্টারের দায়িত্বরত পরিবহনকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ছুটি হওয়ায় অনেকে পরিবারের সদস্যদের আগে গ্রামে পাঠিয়েছেন। ফলে যাত্রী কম। মহাসড়কে যেসব গাড়ি চলছে, সেসব বাসে যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া মহাসড়কে কোথাও কোনো যানজট নেই। গাড়িগুলো দ্রুত গিয়ে আবার দ্রুত ফিরে আসতে পারছে। ফলে যাত্রীরা আরামে বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন।

মাজহারুল ইসলাম নামে এক যাত্রী জানান, দুর্ভোগ এড়াতে আমার পরিবারকে আরো এক সপ্তাহ আগেই গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছি। জরুরি কিছু কাজ থাকায় আমি আজ গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। তবে এবার গত কয়েকবারের তুলনায় রাস্তার পরিস্থিতি ভালো। তাই স্বাচ্ছন্দেই গ্রামের বাড়ি যেতে পারছি।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক ওমর ফারুক বলেন, গত কয়েকদিনের তুলনায় গতকাল গাড়ির চাপ কম ছিল। আজ গাড়ির চাপ আরও কমে যাবে বলে ধারণা করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি নিরসনে আমরা ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে যাচ্ছি। যাত্রীদের দুর্ভোগ এড়াতে এবং মহাসড়কে কোনো যানজট সৃষ্টি না হয় সেজন্য ঈদের দিন সকাল ১০টা পর্যন্ত মহাসড়কে পুলিশ অবস্থান করবে।

রাশেদুল ইসলাম রাজু/এফএ/জেআইএম