দিনাজপুর জেলায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের শতভাগ হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকায় জেলার ১৩টি উপজেলায় ২২৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও হেলমেট না পরায় ৭ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা দিনাজপুর সদর উপজেলাসহ জেলার ১৩টি উপজেলায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা ট্রাফিক বিভাগের টিআই (প্রশাসন) এটিএম তৌহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনের নির্দেশে আমাদের বিশেষ অভিযান নিয়মিত পরিচালনা হয়ে আসছে। দিনাজপুর জেলায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের শতভাগ হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
জানা গেছে, দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় টিআই সরকার মো. তারিকুল ইসলামের নেতৃতে ১১টি মামলা ও জরিমানা ৩৬ হাজার টাকা, সার্জেন্ট পলি রানী রায়ের নেতৃত্বে ১৪টি মামলা ও জরিমানা ৪৬ হাজার টাকা, সার্জেন্ট এমবিকে ইমরান রব্বানীর নেতৃত্বে ৭টি মামলা ও জরিমানা ২৬ হাজার টাকা, বিরল উপজেলায় সার্জেন্ট মোস্তাফিকা আফরিনের নেতৃত্বে ১৬টি মামলা ও জরিমানা ৬০ হাজার টাকা, বিরামপুর উপজেলা টিআই মো. হাসান আসকরের নেতৃত্বে ১৯টি মামলা ও জরিমানা ৫৭ হাজার টাকা, বীরগঞ্জ উপজেলায় টিআই মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ১২টি মামলা ও জরিমানা ৩৬ হাজার টাকা, ঘোড়াঘাট উপজেলা সার্জেন্ট মো. নুরনবী চৌধুরীর নেতৃত্বে ১২টি মামলা ও জরিমানা ৩৯ হাজার টাকা, কাহারোল উপজেলায় টিআই মো. সহিদুর রহমানের নেতৃত্বে ১১টি মামলা ও জরিমানা ৩৬ হাজার টাকা, নবাবগঞ্জ উপজেলায় সার্জেন্ট মো. রেজওয়ানুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫টি মামলা ও জরিমানা ৪৫ হাজার টাকা, খানসামা উপজেলায় সার্জেন্ট মো. হানিফ মন্ডলের নেতৃত্বে ২৩টি মামলা ও জরিমানা ৬৯ হাজার টাকা, ফুলবাড়ী উপজেলায় সার্জেন্ট মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০টি মামলা ও জরিমানা ৭১ হাজার টাকা, বোচাগঞ্জ উপজেলায় মো. শফিউল আলমের নেতৃত্বে ১৮টি মামলা ও জরিমানা ৫৪ হাজার টাকা, চিরিরবন্দর উপজেলায় মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে ১৬টি মামলা ও জরিমানা ৫১ হাজার টাকা, হাকিমপুর উপজেলা টিএসআই মো. ওহেদুর রহমানের নেতৃত্বে ১৬টি মামলা ও জরিমানা ৪৮ হাজার টাকা ও পার্বতীপুর উপজেলায় সার্জেন্ট মো. রাকিবুল ইসলামের নেতৃতে ১৫টি মামলা ও ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শতভাগ হেলমেট পরা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এমদাদুল হক মিলন/এফএ/জিকেএস