আইন-আদালত

কঠোর নিরাপত্তায় সুপ্রিম কোর্টে ঢুকছেন আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা

ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রবেশপথে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সবকটি প্রবেশপথে দেখা গেছে পুলিশের বাড়তি উপস্থিতি।

Advertisement

রোববার (২৯ মে) সকাল থেকে আইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দেখাতে হচ্ছে। বিচারপ্রার্থী কেউ প্রবেশ করতে গেলে মামলা সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জেনে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি করা হচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জোরদার করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা।

এদিকে, শিশু অ্যাকাডেমির পেছনে চার নেতার মাজার সংলগ্ন সুপ্রিম কোর্টের ন্যায় সরণির গেট ও আপিল বিভাগের সামনের প্রধান গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র খোলা রাখা হয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সংলগ্ন গেট, মাজার গেট ও স্পোর্টস কমপ্লেক্স গেট।

গত ২৬ মে দুপুরে হাইকোর্ট মোড় ও দোয়েল চত্বরসহ আশপাশের এলাকায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলাকালে দুই পক্ষই সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে ছাত্রদলকর্মী হামলার শিকার হয়ে রক্তাক্ত হন।

Advertisement

এছাড়া সমিতি প্রাঙ্গণে রাখা আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকারের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এমন প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা নিয়ে জরুরি বৈঠক করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এরপর শনিবার জানানো হয় যে, রোববার থেকে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের মূল ফটক সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে বন্ধ থাকবে।

তবে মাজার গেট সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে। আর সুপ্রিম কোর্টের জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্স সংলগ্ন মসজিদ গেট সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। কিন্তু মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য পাশের সরু গেটটি সবসময় খোলা থাকবে।

এছাড়া বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সংলগ্ন গেট দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুধু গাড়ি বের হতে পারবে। তবে এই গেট দিয়ে কোনো গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। আর একাডেমির বিপরীত পাশে অবস্থিত ন্যায় সরণীর গেটটি সার্বক্ষণিক বন্ধ থাকবে।

এফএইচ/এএএইচ/এমএস

Advertisement