সম্প্রতি দিনাজপুরের হিলিতে চালের আড়তে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানের সুফল মিলতে শুরু করেছে পাইকারি ও খুচরা চালের বাজারে। এরই মধ্যে কমেছে সবধরনের চালের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে ৫০ কেজি প্রতি বস্তা চাল প্রকারভেদে ১৫০-২০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও দাম আরও কমাতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং দাবি জানান তারা।
হিলি বাজারে দুদিন আগেও মিনিকেট জাতের চাল ৬৬ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা কেজিতে ৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকা কেজিতে, ৪ টাকা কমে আটাশ ৪৮ টাকায়ে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া স্বর্ণা-৫ জাতের চালে ৩ টাকা কমেছে।
সোলাইমান আলী নামের ষাটোর্ধ্ব এক রিকশাচালক বলেন, ‘আমরা দিন আনি দিন খাই, কয়দিনের তুলনায় এখন বাজারে চালের দাম কম। এতে গরিব মানুষের অনেক সুবিধা হয়েছে।
দাম কমার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, সারাদেশে সরকারের অভিযানের ফলে মিল থেকে চাল বিক্রি শুরু করেছে মিল মালিকরা। অন্যদিকে ধানের দাম কমে যাওয়ায় চালের বাজারে কমতে শুরু করেছে দাম। তবে এখনো বাজারে দেখা মিলছে না ক্রেতার। নতুন চাল বাজারে আসলে আরও দাম কমবে।
আহমেদ আলী নামের এক চাল ব্যবসায়ী বলেন, আগে আড়তে চালের দাম বেশি নেওয়ার কারণে আমরাও খুচরাবাজারে বেশি দাম বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন মিলাররা দাম কম নেওয়ায় আমরাও বাজারে দাম কমতে শুরু করেছি।
রহিম উদ্দিন নামের আরেক চাল ব্যবসায়ী বলেন, কয়েক দিন আগে মিলারদের কাছ থেকে চালের সরবরাহ কম থাকায় বাজারে দামের প্রভাব পড়েছিল। কিন্তু এখন সরবরাহ বেশি থাকায় চালের দাম কমতে শুরু করেছে।
মো. মাহাবুর রহমান/এসজে/জেআইএম