দেশজুড়ে

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে সেবা, পুরস্কার পেলেন সেই কনস্টেবল

পায়ে ক্ষত হয়ে পচন ধরা মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে চিকিৎসা সেবা দিয়ে বিশেষ পুরস্কার পেলেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন।

রোববার (৫ জুন) মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পাবনা পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেনের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। পাবনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন সেবামূলক যে কাজটি করেছেন তা অনেকের জন্য শিক্ষণীয়। এ পুরস্কার প্রাপ্তি তাকে যেমন উৎসাহ জোগাবে তেমনি অন্যদেরও সেবামূলক কাজে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা দেবে। কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন বলেন, মাঝে মধ্যেই ভিক্ষুক, মানসিক প্রতিবন্ধীসহ অসহায় মানুষদের সেবা করার চেষ্টা করি। ১৯ মে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের পায়ে পচন ধরা দেখে চিকিৎসক ডেকে তাকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার অজান্তেই সাংবাদিকরা এ ঘটনার ছবি তুলে নেন। কিছুক্ষণ পর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে জানতে চান। রাতে জাগোনিউজ২৪.কম-এ বিষয়টি প্রকাশিত হলে সহকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারি। প্রতিবেদনটি পাবনা জেলা পুলিশের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়।

তিনি বলেন, বিশেষ পুরস্কার পাওয়ায় আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি। ভবিষ্যতেও দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সেবা করে যাবো। পুরস্কারপ্রাপ্তির জন্য জাগো নিউজকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

গত ১৯ মে ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির মাঠের সামনে গাছের নিচে শুয়ে পায়ের ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবক। তার বাম পায়ের পাতায় পচন ধরেছিল। কিন্তু যুবকটির সেবায় কেউ এগিয়ে আসছিলেন না।

পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি খেয়াল করেন কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি চিকিৎসক ডেকে এনে তার পা পরিষ্কার করে ব্যান্ডেজ করে দেন। পরে তিনি কিছু খাবারও কিনে দেন।

এ ঘটনায় ‘পায়ে পচন ধরা মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের সেবায় কনস্টেবল’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাগোনিউজ২৪.কম।

এসআর/জিকেএস