গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানসহ অন্য নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ জুন) রাতে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে মশাল মিছিল হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাস, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, জেলা যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ, জেলা নারী সংহতির সমন্বয়ক পপি রানী সরকার ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আরিয়ান রিপনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক তরিকুল সুজন প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘যে আগুন লাগিয়েছেন, সে আগুনে আপনাকে জ্বলতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনার দুঃশাসনকে মুক্তিযুদ্ধের নামে ব্যবসা মেনে নেবে না। আপনি ভোটাধিকারের কথা বলে মানুষের ভোট চুরি করেছেন। আপনি ভোটচোর।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকের পর থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের গায়ে কোনো একটি আঁচড় পড়লেও তার দায় ছাত্রলীগ যুবলীগকেই নিতে হবে। তার দায় প্রধানমন্ত্রীকে নিতে হবে। ভাববেন না মসনদে বসে আপনি মুরগি খাবেন আর জনগণ না খেয়ে মরবে। আমরা আপনার মসনদ কাঁপিয়ে দেবো। আজকের আগুন দিয়ে আপনার মসনদকে তছনছ করে দেওয়া হবে।’
বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) সামনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত অন্যরা হলেন গণসংহতি আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমি ও সদস্য সচিব ফরহাদ জামান, গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান ও জসীম উদ্দিন এবং সদস্য কামরুন নাহার ডলি ও ছাত্র ফেডারেশনের চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক শ্রীধাম কুমার শীল।
মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসজে/এএসএম