পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দূর্গাপুর, কলমাকান্দা, বারহাট্টা ও খালিয়াজুরী উপজেলাসহ ১০ উপজেলার ৭৫টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে প্রায় ৩০ হাজার পুকুরের মাছ।
গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে এবং ভেঙে যাওয়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সাড়ে ১৫ লক্ষাধিক মানুষ। বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
নেত্রকোনার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার ছোটবড় সবগুলো নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করছে। তবে উব্দাখালী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার ও ধনু নদের খালিয়াজুরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানিয়েছেন, নেত্রকোনার বন্যাদুর্গতদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লাখ নগদ টাকা, ৩৩৩ টন চাল ও ৪ হাজার ৯৫০ প্যাকেট বরাদ্দ পাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বন্যাদুর্গত লোকজনের মধ্যে ১৩১ টন চাল, ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা ও ২ হাজার ৩০০ শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।
এইচ এম কামাল/এসজে/জেআইএম