আন্তর্জাতিক

বেলারুশকে ‘ইস্কান্দার-এম’ পরমাণুবাহী ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে রাশিয়া

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মিত্র বেলারুশকে পরমাণু বহনে সক্ষম স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাতে যাচ্ছে রাশিয়া। মিত্র দেশটিতে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

Advertisement

তিনি বলেন, এই ইস্কান্দার-এম ব্যবস্থা ‘প্রচলিত ও পরমাণুবাহী উভয় ধরনের ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারে’। জানা গেছে, ইস্কান্দার-এমের পাল্লা ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

চলতি বছর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পুতিন ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন তখন থেকে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়টি বেশ কয়েকবার উল্লেখ করেছেন। যেটিকে কেউ কেউ পশ্চিমা দেশগুলোর হস্তক্ষেপ না করার একটি সতর্কতা হিসাবে ব্যাখ্যা করছেন।

সেন্ট পিটার্সবার্গের বৈঠকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো অনুরোধ করার পর শনিবার (২৫ জুন) পুতিন মিনস্কের এস-২৫কে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম করতে বিমানগুলোর আধুনিকায়নে রাশিয়া সাহায্য করবে বলে প্রতিশ্রুতিও দেন।

Advertisement

এদিকে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা যুদ্ধে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের মারিউপোলের পর এবার আরেকটি শহর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এই শহরটি রুশ সেনারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক।

শনিবার (২৫ জুন) এক ভিডিওবার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে যাওয়া সব শহর ‘দখলমুক্ত’ করার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে যুদ্ধ এখন ‘কঠিন পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে বলে স্বীকার করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘আর কত আঘাত ও ক্ষয়ক্ষতি হবে তা জানি না,’।

শুক্রবার রাতেও রাশিয়া ইউক্রেনের উত্তর ও পশ্চিমের লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। কিয়েভের পশ্চিমের একটি শহরে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। আরও অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন বলে স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানান। কিছু রকেট বেলারুশ থেকে ছোড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। বেলারুশ রাশিয়াকে যৌক্তিক সহায়তা দিয়েছে তবে তার সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে সংঘাতে অংশ নিচ্ছে না।

সূত্র: বিবিসি

Advertisement

এসএনআর/এমএস