দেশজুড়ে

নজর কাড়ছে ডন

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ফরিদপুরের মধুখালীতে সবার দৃষ্টি কাড়ছে ২০ মণ ওজনের ষাঁড় ডন। মধুখালী উপজেলার মেগচামী ইউনিয়নের বসমসী গ্রামের খামারি মো. হালিম শেখ এই ষাঁড়টির মালিক।

উপজেলার সবচেয়ে সুদর্শন ও বড় হিসেবে আলোচিত গরুটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারাও। মালিক দাম হাঁকছেন ৮ লাখ টাকা।

খামারি হালিম শেখ জাগো নিউজকে জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়ের ওজন এখন প্রায় ৮০০ কেজির ওপর। প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় থেকে দুই কেজি করে ওজন বাড়ছে। সারাদিনই ডনকে যত্ন করতে হয়। খাওয়ানো, গোসল করানো ও পরিচর্যাসহ সবকিছু লক্ষ্য রাখতে হয়। গরুটির যতটা না ওজন তার চেয়ে বেশি এটি দেখতে সুন্দর।

দুই দাঁতের এই গরুটিকে এখন প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ কেজি করে দানাদার খাবার দিতে হচ্ছে। এর খাবারের তালিকায় রয়েছে নিজস্ব জমির কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, গমের ভুসি, খেসারির ভুসি, ভুট্টাভাঙা ও কলা। শুধু মেগচামী ইউনিয়ন নয়, মধুখালী উপজেলার মধ্যে এবারের কোরবানির ঈদে সবচেয়ে বড় ও সুন্দর গরুর তালিকায় ডন অন্যতম।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় এক কৃষকের কাছ থেকে আড়াই বছর আগে এক বছর বয়সী ডনকে কিনেছিলেন তিনি। কেনার পর এটিকে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। এর খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য বাড়ির পাশে একটি ঘাসের জমিও করেছেন তিনি। ভালো দামে এবার গরুটি বিক্রি করতে পারলে আগামীতে এ ধরনের আরো গরু প্রস্তুত করতে তিনি উৎসাহ পাবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পৃথ্বীস কুমার জাগো নিউজকে বলেন, গরুর মালিক একজন সফল উদ্যোক্তা। আমরা গরুটির খোঁজ খবর নিয়েছি, গরুটি প্রাকৃতিক নিয়মে পরিচর্যা করা হয়েছে। আগামীতে গরুর মালিক যেন আরো বড় খামারি হতে পারেন সেজন্য আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করবো।

এন কে বি নয়ন/এফএ/জেআইএম