কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে জমে উঠেছে পশুহাট। শহরের প্রতি হাটেই উঠেছে নানা রং ও জাতের গরু। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাটগুলোতে গরু এনে ভিড়াচ্ছেন খামারিরা। একই সঙ্গে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদেরও।
এবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ডিআইটি হাট মাতাচ্ছে ‘রাজা’ ও ‘বাদশা’ নামে দুই গরু। তাদের মধ্যে ৩৬ মণ ওজনের রাজার দাম হাঁকানো হয়েছে ২০ লাখ টাকা এবং ২৫ মণ ওজনের বাদশার দাম হাঁকানো হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। খামারি মো. মোজাফফর হোসেন আশা করছেন এ দামেই বিক্রি করতে পারবেন গরু দুটি। যদিও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো ক্রেতা পাননি।
হাটে রাজা ও বাদশার আগমনকে কেন্দ্র করে চারপাশ ঘিরে ধরে রেখেছে সাধারণ মানুষজন। যেন সবার কাছেই আকর্ষণীয় বিষয়বস্তু হিসেবে পরিণত হয়েছে গরু দুটি। তাদের আনা হয়েছে পাবনার সাঁথিয়া এলাকা থেকে।
খামারি মোজাফফর জাগো নিউজকে বলেন, ‘ছোট থেকেই তাদের লালন পালন করেছি। শখ করে তাদের নাম রেখেছি রাজা ও বাদশা। গরুই দুটি চার বছর ধরে লালন-পালন করেছি। ফ্রিজিয়ান জাতের ৩৬ মণের রাজার দাম ধরা হয়েছে ২০ লাখ টাকা এবং শাহিয়াল জাতের ২৫ মণের বাদশার দাম ধরা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজই আমি তাদের হাটে তুলেছি। আমার জানামতে এ হাটের মধ্যে রাজা ও বাদশাহ সবচেয়ে বড় গরু। তাদের আনার পর থেকে লোকজন চারপাশ ঘিরে রেখেছে। লোকজন এসে দাম জিজ্ঞাসা করছে। আশা করছি হয়তো ভাল দাম পাবো। তবে এখনো কোনো ক্রেতা পাইনি।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার জাগো নিউজকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি হাটে আমাদের ভেটেরিনারি টিম রয়েছে। একই সঙ্গে কোরবানির জন্য এবার পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাগ্রো ফারমগুলোর পশু বিক্রির ক্ষেত্রে তাদের যা সহায়তা দরকার আমরা করছি।
মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসজে/এমএস