দিনাজপুরে তেলবাহী ট্যাংকলরির ধাক্কায় মা ও বোনের পর এবার মারা গেলো ১৮ মাসের সাইফুল ইসলাম নাসরুল্লাহও।
বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যায় সে।
এর আগে ভোর পৌনে ৫টায় হাসপাতালের সামনে ট্যাংকলরির ধাক্কায় শিশুর মা ফাইমা বেগম (৪০) ও বোন বিউটি (১৩) মারা যান। দুর্ঘটনা আহত তার বাবা মোহাম্মদ হোসাইন (৪০) হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
আহত মোহাম্মদ হোসাইন জেলার বিরল উপজেলার তেঘরা দারুল হাদীস সালাফিয়্যাহ মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার পাঁচটিকরি গ্রামের বাসিন্দা। তারা তেঘরা গ্রামে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
হোসাইনের ভাই মোহাম্মদ হাসান বলেন, দুপুরে যখন আমরা ভাবি ও ভাতিজির মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তুলছিলাম। সে সময় শিশু নাসরুল্লাহ মারা যায়। ভাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান আসাদ জাগো নিউজকে বলেন, নিজ পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে সকালে স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে মোটরসাইকেলে দিনাজপুর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ হোসাইন। পথে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পৌঁছালে একটি তেলবাহী ট্যাংকলরি পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্ত্রী ও মেয়ে মারা যান। হোসাইন ও তার ছেলে আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং বাবা-ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করে।
পরিদর্শক আসাদুজ্জামান আসাদ আরও বলেন, দুপুরে ছেলেটিও মারা যায়। তিনজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।’
এমদাদুল হক মিলন/এসজে/জিকেএস