কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে ডাকাতির ঘটনায় শহীদ মিয়া নামের এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১ আগস্ট) দুপুরে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার শহীদ মিয়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, রোববার (৩১ জুলাই) বিকেলে নিকলী হাওর এলাকা ভ্রমণ করে ট্রলারে করে ফিরছিলেন স্থানীয় ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী। পথে ভৈরবের মেঘনা নদীর লুন্দিয়া এলাকায় পৌঁছালে ডাকাতদের কবলে পড়েন তারা। ডাকাতরা তাদের ১৪টি মোবাইল ও প্রায় ৭০ হাজার টাকা লুটে পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীরা ভৈরব নৌপুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। রাতেই ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলার উপজেলার জাফরনগর এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে শহীদ মিয়াকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে দেখে চিহ্নিত করেন এবং তিনিও ডাকাতির বিষয়টি স্বীকারে করে তার সঙ্গীয় চারজনের নাম পুলিশের কাছে প্রকাশ করেন। তারা হলেন মিজান, লিটন, মামুন ও গরু তাহের। এ চারজনসহ আরও তিনজন ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভৈরব নৌ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
ছাত্রলীগ নেতা মাকসুদ হাসান মুন্না বলেন, রোববার আমরা ১০-১২ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী নিকলী হাওর এলাকায় একটি ট্রলারে করে ভ্রমণে যাই। ফেরার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মেঘনা নদীতে ডাকাতের কবলে পড়ি। ডাকাতরা ১৪টি মোবাইল ও প্রায় ৭০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তাদের লাঠির আঘাতে দুজন আহত হন। পরে বিষয়টি নৌপুলিশকে জানাই।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার শহীদ মিয়াকে আমরা চিনতে পেরেছি। তিনি ডাকাতির সময় আমাদের মারধর করেন।
ভৈরব নৌ থানার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান জানান, গ্রেফতার শহীদ ডাকাতির কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসআর/এমএস