নোয়াখালীর কবিরহাটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে মো. আহসান হাবিব (২২) নামে এক সেবাপ্রার্থীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে দুই আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এক আনসার সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টায় এ ঘটনা ঘটে। আহত আহসান হাবিবকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. এনায়েত উল্যার ছেলে।
আহত আহসান হাবিব অভিযোগ করে বলেন, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে আমি আমার বন্ধু মনির উদ্দিনসহ ছোট ভাইয়ের জন্মনিবন্ধনে নাম সংশোধন করতে ইউএনও অফিসে যাই। দীর্ঘ লাইন ও অব্যবস্থাপনা দেখে আমার বন্ধু মনির ভিডিও কলে অন্য এক বন্ধুকে দেখাতে গেলে আনসার সদস্য ইউনুস এসে বাধা দেন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আরেক আনসার সদস্য রনি এসে বেদম মারধর শুরু করেন। এতে আমার বাম চোখসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম হয়।
এদিকে, আহত আহসান হাবিবকে নিজেদের কর্মী দাবি করে ইউএনওর বাসভবন ও আনসার ব্যারাক ঘেরাও করে স্থানীয় ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতিমা সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, শতশত লোক লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে নিজেদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে আনসারদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ওই ব্যক্তি চোখের নিচে সামান্য আঘাত পেয়েছেন। তাকে আমার গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আনসার সদস্য রনিকে প্রত্যাহার করে জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
ইকবাল হোসেন মজনু/এমআরআর/জিকেএস