যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার সংস্কারের টাকাসহ কয়েকটি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ইউনিয়নের ১২ জন মেম্বার তার প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব এনে রোববার (৬ নভেম্বর) জেলা প্রশাসক ও শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত দিয়েছেন। পরে দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ইউপি সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার সংস্কারের নামে আসাদুজ্জামান মুকুল দুই লাখ ৩৬ হাজার ৫৪২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া তিনি হাট-বাজার উন্নয়নের ৩৬ হাজার ৫৪২ টাকা এবং এলজিএসপি খাতে বরাদ্দ যুবকদের প্রশিক্ষণের এক লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সর্বশেষ কাবিটা প্রকল্পের ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। কিন্তু ইউনিয়নের মেম্বাররা তা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে তিনি টাকা আটকে দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের সভায় কোনো আলোচনা না করে মেম্বারদের অগ্রিম হাজিরা খাতায় সই করে নেন চেয়ারম্যান ও সচিব। পরিষদের সব বিষয় কোনো সদস্যকে না জানিয়ে নিজের ইচ্ছামতো কাজ করেন চেয়ারম্যান। এছাড়া চেয়ারম্যান সব সময় মেম্বারদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। ফলে চেয়ারম্যানের প্রতি সব মেম্বাররা অনাস্থা জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামানসহ ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান মল্লিক, আল-আমিন, ফারুক হোসেন, আব্দুল মান্নান, সিদ্দিক জামান লাল্টু, রিজাউল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, সংরক্ষিত ইউপি মেম্বার মিনু খাতুন, রূপালী বেগম ও বিলকিস বেগম উপস্থিত ছিলেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান মুকুলের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র পাল বলেন, মেম্বারদের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিলন রহমান/এমআরআর/জিকেএস