জাতীয়

চাল রপ্তানিতে চুক্তি করছে সরকার

অবশেষে শ্রীলংকায় চাল রপ্তানি চূড়ান্ত করল সরকার। স্বাধীনতার পর এটিই প্রথম বাংলাদেশ চাল রপ্তানি করতে যাচ্ছে। যদিও কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও রপ্তানি করার মতো অবস্থায় যায়নি। তবু সরকার চাল রপ্তানি চূড়ান্ত করে শ্রীলংকার সরকারের সঙ্গে বুধবার চাল রপ্তানির বিষয়ে চুক্তি সই করতে যাচ্ছে বলে সূত্র বলছে। খাদ্যমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা সুমন মেহেদির পাঠানো এক অনুষ্ঠান সূচি থেকে বিষয়টি জাগোনিউজ নিশ্চিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম এবং খাদ্য সচিব মুশফেকা ইকফাৎ এর উপস্থিতিতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং শ্রীলংকার মধ্যে চাল রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি সই হবে। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সারওয়ার খান এবং শ্রীলংকা সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন লংকা সাথোসা লিমিটেডের চেয়ারম্যান নালীন ফারনান্ডো। সূত্র বলছে, বাংলাদেশ সরকার চলতি বছর শ্রীলংকায় ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টন চাল রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ব্যাপারে সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, চালের সন্তোষজনক মজুদ থাকার কারণে চাল রপ্তানির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চালে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও চাল রপ্তানি করার মতো অবস্থায় এখনও পৌঁছায়নি। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর সীমিত পরিমাণে সুগন্ধি চাল রপ্তানি হলেও বড় পরিসরে সিদ্ধ চাল রপ্তানি এর আগে হয়নি। সুগন্ধি চাল ছাড়া অন্য সব ধরনের চাল আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত রপ্তানি করা নিষিদ্ধ রয়েছে।