জাতীয়

বিএনপির সমাবেশের সম্ভাব্য ভেন্যু ঘুরে যা বললো পুলিশ

১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Advertisement

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে এ কলেজের মাঠ পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শন শেষে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এ কে এম হাফিজ আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির প্রতিনিধিদল আমাদের কাছে এসেছিলেন এবং তারা অনুরোধ জানিয়েছেন বিকল্প ভেন্যুর জন্য। মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠ ও কমলাপুর স্টেডিয়াম মাঠের একটি শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) চূড়ান্ত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘কমলাপুর স্টেডিয়ামের মাঠ সম্পর্কে আমরা জানি। তবে মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে কারণে রাতে পরিদর্শন করা হয়েছে। এ দুটি মাঠের একটিতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।’

Advertisement

এর আগে রাত সোয়া ১১টার দিকে হাফিজ আক্তারের নেতৃত্বে ডিএমপির প্রতিনিধিদল বাঙলা কলেজ মাঠ পরিদর্শনে যান।

আরও পড়ুন: ভেন্যু পরিদর্শন শেষ, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

তারও আগে সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বিএনপির প্রতিনিধিদল ডিএমপি সদরদপ্তরে প্রবেশ করেন। পরে তারা ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন তারা।

বৈঠকে ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ করার জন্য রাজধানীর কমলাপুর স্টেডিয়াম মাঠের জন্য অনুমতি চেয়েছে বিএনপি। তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে বিএনপিকে মিরপুরে সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠে গণসমাবেশ করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

রাত সাড়ে ৯টায় ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু।

তিনি বলেন, ‘ডিএমপি কমিশনার আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার কথা বলেছেন। তবে আমরা নয়াপল্টনে গণসমাবেশ করার কথা জানিয়েছি। তারা (ডিএমপি) পল্টনে আমাদের অনুমতি দেননি। এজন্য বিকল্প হিসেবে আমরা কমলাপুর স্টেডিয়াম মাঠ চেয়েছি। ডিএমপি বিকল্প হিসেবে বাঙলা কলেজ মাঠের কথা জানিয়েছে।’

আরও পড়ুন: বিএনপি চায় কমলাপুর স্টেডিয়াম, ডিএমপি বলছে বাঙলা কলেজ

বিএনপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

টিটি/ইএ