দেশজুড়ে

পাটগ্রাম সীমান্তে পড়েছিল ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে ভারতীয় এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। প্রথমে ওই মরদেহ বাংলাদেশি নাগরিকের বলে ধারণা করা হলেও পরে পরিচয় মেলে।

বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাধানাথ সীমান্তের ৮৫৬ নম্বর মেইন পিলারের কাছে ভারতের অভ্যন্তর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে বুধবার সকাল থেকে সেখানে মরদেহটি পড়েছিল। নিহত ভারতীয় নাগরিক মোসাহাব হোসেন (৪০) কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ গ্রামে মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে।

স্থানীয় ও বিজিবি জানায়, বুধবার সকালে সীমান্তের ৮৫৬ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন ভারতের দারিকামারী এলাকায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবিকে খবর দেয়। বিজিবি বিএসএফকে বিষয়টি জানায়। তখন বিএসএফ ওই ব্যক্তি ভারতের নাগরিক নয় বলে বিজিবিকে জানায়।

কিন্তু পরবর্তীকালে বিজিবি মৃত ব্যক্তির তথ্য সরবরাহ করলে জানতে পারে তার বাড়ি ভারতে। পরে বিকেলে যোগাযোগ করে বিএসএফের সহায়তায় ভারতের মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ নিয়ে যায়।

সীমান্তের একাধিক বাসিন্দা দাবি করেন, মৃত ভারতীয় নাগরিকের শরীরে মারধর ও নির্যাতনের চিহ্ন আছে। তাকে বিএসএফ বা অন্য কেউ নির্যাতন করে মেরে ফেলে মরদেহ সীমান্তের কাছে রেখে গেছে।

শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, সীমান্তে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি ওই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গরু পাচারকারী।

এ বিষয়ে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের (৬১ বিজিবি) তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ এর কালীরহাট বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার লিয়াকত হোসেন বলেন, সীমান্তে উদ্ধার করা ব্যক্তির মরদেহ ভারতীয় নাগরিকের। বিএসএফের সহযোগিতায় ভারতীয় পুলিশ মরদেহ নিয়ে গেছে।

রবিউল ইসলাম/এমআরআর/জিকেএস