ফরিদপুরে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ শিশু মাইশা আক্তার (৫) ছয়দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মারা গেছে।
শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে। এর আগে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) ফরিদপুরের নগরকান্দায় সকালে সে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়। মাইশা আক্তার উপজেলার কোদালিয়া শহীদনগর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামের ইব্রাহিম মাতুব্বরের মেয়ে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শীতের সকালে মাইশাসহ আরও কয়েকজন শিশু বাড়ির উঠানে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিল। এসময় অসাবধানতাবশত মাইশার জামায় আগুন লেগে যায়। তখন তার জামা খুলতে খুলতে শরীরের বিভিন্ন জায়গা আগুনে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ছয়দিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মাইশা মারা যায়।
কোদালিয়া-শহীদনগর ইউনিয়ন (ইউপি) পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, বাড়ির অন্য শিশুদের সঙ্গে আগুন পোহাতে গিয়ে মাইশার জামায় আগুন লেগে যায়। তখন আশপাশে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ না থাকায় শরীরের জামা খুলতে দেরি হয়। যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে পুড়ে যায়। ৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়েছে। শনিবার সকালে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।
এন কে বি নয়ন/জেএস/এমএস