কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে কুমিল্লার বেশ কিছু স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গেলেও চলছে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে-খাওয়া মানুষ।
মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়।
কুমিল্লা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সকালে দুই মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। দিনের শুরুতে সর্বনিম্ন তাপমাত্র ছিল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা সাড়ে ১১টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগমী ২৯ ডিসেম্বর থেকে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। সোমবার জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কান্দিরপাড়ে কাজের সন্ধানে আসা আরিফুর জাগো নিউজকে জানান, দিন হাজিরায় কাজ করি। বৃষ্টির কারণে আজ মানুষ কম বের হয়েছে। যার কারণে আমরা বিক্রি হইনি। ফলে দিনের খানা খরচ নিয়ে চিন্তায় রয়েছি।
রিকশা চালক লাভলু জানান, শীতের তীব্রতা কিছুটা বেড়েছে। সকালে বৃষ্টির কারণে সড়কে আগের তুলনায় মানুষ কম বের হয়েছে। দিনের অর্ধেক সময় পার হলেও এখনো ২০০ টাকা কামাই করতে পারিনি।
কুমিল্লা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ইসমাইল ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, সকালে দুই মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আজকের দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্র ছিল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা সাড়ে ১১টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৮ ঘণ্টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ২৯ ডিসেম্বর থেকে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
জাহিদ পাটোয়ারী/এএইচ/জেআইএম