দেশজুড়ে

২৫ বছর পর প্রবাসীদের অর্থে হলো ২ গ্রামের কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একটি রাস্তার অভাবে গত ২৫ বছর ধরে দুই গ্রামের লোকজনকে কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়তে হতো। গ্রামবাসীকে তিন কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হতো। বিগত দিনে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের কাছে এ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অবশেষে স্থানীয় প্রবাসীদের উদ্যোগে সেই রাস্তা নির্মিত হয়েছে। শনিবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা শাহী ঈদগাহ মাঠ থেকে মেরকুটা দারুল আমিন শাহী ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট প্রশস্ত নবনির্মিত এই রাস্তাটি উদ্বোধন করা হয়। এর ফলে কবরস্থান ও ঈদগাহে যাতায়াতে দুই গ্রামের লোকজনের ভোগান্তি কমলো।

প্রধান অতিথি থেকে রাস্তাটি উদ্বোধন করেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল ছিদ্দিক।

এ বিষয়ে জিনোদপুর ইউনিয়ন প্রবাসী মানবকল্যাণ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন বলেন, আমাদের জিনোদপুর ইউনিয়নের দুই গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূর্ণ হয়েছে। এখন আর লম্বা পথ ঘুরে কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠে যেতে হবে না। সড়কটি নির্মাণ করতে যারা জমি দিয়ে সহায়তা করেছেন তাদের প্রতি জিনোদপুর ইউনিয়ন প্রবাসী মানবকল্যাণ ঐক্যপরিষদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

জিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি জাগো নিউজকে বলেন, মেরকুটা কবরস্থান থেকে বাঙ্গরা কবরস্থান ও ঈদগাহ পর্যন্ত সড়কটি প্রবাসীদের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে। দীর্ঘ ২৫ বছর একই ইউনিয়নের দুটি গ্রামের মানুষের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই রাস্তার ফলে দুই গ্রামের মধ্যে যাতায়াতেরও অনেকটা সহজ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার আগে যারা চেয়ারম্যান ছিলেন তাদের কাছে মেরকুটা ও বাঙ্গরা গ্রামবাসী অনেকবার আবেদন জানিয়েছে কিন্তু কেউ সারা দেয়নি। তারা কী কারণে করেনি আমি তা জানি না। স্থানীয় দুই ব্যক্তি জমির দিলে প্রবাসীরা রাস্তাটি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাদের অর্থায়নেই এই রাস্তাটি হয়েছে। আমি তাদের সহযোগিতা করেছি।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এমআরআর/জেআইএম