সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুদিন ধরে অনশনে বসেছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। তবে প্রেমিক নাজমুল হক (২০) বলছেন তাকে তার পছন্দ না। তিনি অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করেছেন।
বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য। বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত এক ফোটা পানিও খাবেন না বলে জানিয়েছে ওই ছাত্রী।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ৪নং মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া গ্রামের আতাহার আলীর ছেলে নাজমুল হক একই গ্রামের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে তিন বছর ধরে প্রেম করেন। কিন্তু হঠাৎ করে সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে গোপনে অন্য এক মেয়েকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছেন।
এমন সংবাদে ওই ছাত্রী মঙ্গলবার সকালে নাজমুলের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার পর থেকে বাড়িতে নেই নাজমুল।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ইব্রাহিম হোসেন মৃধা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ছেলে ও মেয়ে একই গ্রামের। তবে মেয়েটি বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে আসার সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটি পালিয়েছে। ছেলে মোবাইলে জানিয়েছে দুদিন আগেই সে নাকি অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করেছে। আমরা এটার সমাধান করতে পারছি না।
এদিকে দশম শ্রেণির ছাত্রীর দাবি, তিন বছর হলো নাজমুল তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়েছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্যবার তারা শারীরিক সম্পর্কও করেছে। এ অবস্থায় তাকে বিয়ে করা ছাড়া তার কোনো উপায় নেই।
প্রেমিক নাজমুলের বাবা আতাহার আলী বলেন, আমার ছেলে বিবাহিত। সে কারো সঙ্গে প্রেম করেনি। প্রেম করলে তাকেই বিয়ে করতো। তবে এই মেয়েটি কেন আমার বাড়িতে এসেছে আমার জানা নেই।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএ মালেক/এফএ/এএসএম