আইন-আদালত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: হাইকোর্টে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন মোহাম্মদ আলী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট-গোমস্তাপুর-নাচোল) আসনের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ফলে নির্বাচনে অংশ নিতে আর বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান। একইসঙ্গে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। সঙ্গে রুলও জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই আসনের প্রার্থীরা

আদালতে এদিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মিজানুর রহমান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল হক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সিরাজুল ইসলাম ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বাহাউদ্দিন আহমেদ।

আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান জানান, মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারকে বলেছেন তাকে প্রতীক বরাদ্দ দিতে, যাতে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এখন তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

আরও পড়ুন: নৌকায় ভোট দেওয়া দেশপ্রেমের অংশ: মাহি

নির্বাচনী আসনে সমর্থনসূচক ১ শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিল থাকায় মোহাম্মদ আলী সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এরপর তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপিল করেন। ওই আপিল নাকচ হলে তিনি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আপিল আবেদন করলে সেখানেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এরপর তিনি উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। এরপর ওই রিটের শুনানি নিয়ে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান।

গত ৮ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া ভোটারদের স্বাক্ষরিত তালিকায় ভুল থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়ছে।

বিএনপির সংসদ সদস্য পদত্যাগ করলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এ আসনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এফএইচ/এএএইচ/এএসএম