দেশজুড়ে

মারামারি না করার শর্তে ইউএনওর কাছে গ্রামবাসীর অস্ত্র জমা

ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিজেদের মধ্যে দাঙ্গা-মারামারি না করার শর্তে উপজেলা প্রশাসনের কাছে দেশীয় অস্ত্র জমা দিয়েছে বনগ্রাম ও গোয়ালদী গ্রামবাসী। দেশীয় এসব অস্ত্রের মধ্যে ছিল ১৮টি ঢাল, ৯টি কাঁতরা, দুটি ঝুপি ও একটি ভেলা।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম মাদরাসা মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈনুল হকের হাতে এসব দেশীয় অস্ত্র জমা দেন তারা।

আরও পড়ুন: ঘর আছে, চলাচলের রাস্তা নেই

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এসব অস্ত্র দিয়ে দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে দাঙ্গা-মারামারি করে আসছিল উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম ও গোয়ালদি গ্রামবাসী। এতে অসংখ্য মানুষ আহত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মামলা-হামলায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে উভয় পক্ষই।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে ইউএনও মঈনুল হক জাগো নিউজকে বলেন, এ দুই গ্রামের মাতব্বরদের দ্বন্দ্বে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিবদমান দুই পক্ষের লোকদের এক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে সম্মতি জানায় উভয় গ্রামের মানুষ।

আরও পড়ুন: ভিক্ষায় সংসার চলে ‘আসমানীর’ ছেলে আশরাফুলের

অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোনিয়া হোসেন জিসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মিয়া, সহ-সভাপতি বেলায়েত হোসেন মাস্টার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান চুন্নু শেখ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইকবাল কবির, ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বাবু ফকির প্রমুখ।

এন কে বি নয়ন/এসআর/জিকেএস