দখলদারদের থাবায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের প্রাণ হিসেবে পরিচিত বাঁকখালী নদী। এর সঙ্গে বিপন্ন করা হয়েছে নদীর তীরবর্তী প্যারাবন। ইচ্ছামতো তীর দখল ছাড়াও পার্শ্ববর্তী প্রায় ৬০০ হেক্টরের বন নিধন করে চলছে ভরাট ও প্লট তৈরির কাজ। নির্মাণ হচ্ছে একের পর এক স্থাপনা। অবশেষে আদালতের নির্দেশে প্রাণ ফিরছে নদীর।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম)।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. আবু সুফিয়ান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহিদ ইকবাল, র্যাব, পুলিশ, পরিবেশ অধিদফতর, দমকল বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা।
নদী দখল ও প্যারাবন ধ্বংসের বিষয়ে এডিএম আবু সুফিয়ান বলেন, নদীর জীবন্ত সত্তাকে হত্যার পর বন নিধন চরম অমানবিকতা। হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এসব অবৈধ দখল যেকোনোভাবে উচ্ছেদ করা হবে। ছয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উচ্ছেদে দায়িত্ব পালন করছেন। সঙ্গে নদী রক্ষা কমিশন, বনবিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ, পরিবেশ অধিদফতর, বিদ্যুৎ বিভাগ, দমকল বাহিনীসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিটি শাখা অভিযানে অংশ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রথম দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শতাধিক স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি স্থাপনাও ক্রমে সরিয়ে ফেলা হবে।
সায়ীদ আলমগীর/এসজে/এমএস