দেশজুড়ে

৪ লাখ টাকার চুক্তিতে অটোরিকশাচালক হাকিম হত্যা

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অটোরিকশাচালক আবদুল হাকিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। তাকে চার লাখ টাকা চুক্তিতে অটোরিকশার মালিক মহিন সহযোগীদের নিয়ে হত্যা করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চরমটুয়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের শিকার আবদুল হাকিম (৩৫) আন্ডারচর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের মো. ইব্রাহিমের ছেলে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।

পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ মোট আটজনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে আসামি রিপু ও সোহেল হোসেন ওরফে সাকিল এ ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার স্বীকারোক্তি দিয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামিদের দাবি, আবদুল হাকিমকে হত্যা করতে তার অটোরিকশার মালিক মো. মহিনকে চার লাখ টাকায় ভাড়া করেন হাকিমের এক শত্রু (মামলার স্বার্থে নাম অপ্রকাশিত)। পরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে হাকিম তার ভাড়ায়চালিত অটোরিকশা জমা দিতে গেলে মহিন তাকে আটক করেন। পরে কামাল, রিপু, মোমেন, নূর আলমসহ সহযোগীদের নিয়ে হাকিমকে গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, এ ঘটনায় হওয়া মামলার তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্ট বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন, সদর উপজেলার পশ্চিম চরমটুয়া গ্রামের মো. মমিন উল্যার ছেলে মো. মহিন (২৭), পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের রেজিয়াগো বাড়ির মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মো. কামাল (৩৮), হারুন মোল্লা বাড়ির আনোয়ারুল হক নশুর ছেলে মো. আজাদ হোসেন (৩২), পশ্চিম চরমটুয়া গ্রামের অজি উল্যাহ পাটোয়ারী বাড়ির শাহজাহানের ছেলে রিপু মিয়া (২১), আক্কাস সওদাগর বাড়ির আক্কাস সওদাগরের ছেলে জাহিদ হাসান (২৮), পশ্চিম চরমটুয়া গ্রামের মাহফুজের বাপের বাড়ির মো. সেলিমের ছেলে সোহেল হোসেন (২৪), একই গ্রামের দোকান বাড়ির মকবুল আহমেদের ছেলে মমিন উল্যাহ (৩৭) ও পাটোয়ারী বাড়ির অজি উল্যার ছেলে নূর আলম মিস্ত্রি (৫৫)।

ইকবাল হোসেন মজনু/এমআরআর/এমএস