জাল প্রশিক্ষণ সনদপত্র দেখিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে তিন কৃষিকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছেন। এসব মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে দুদক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, আসামিরা জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি ও বেতন-ভাতা বাবদ সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, পঞ্জগড় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিব, কুড়িগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপাশা খাতুন ও উজিরপুরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের “উপসহকারী কৃষি কর্মকতার” পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। তিন আসামি ওই পদে নিয়োগ পেতে আবেদনের সঙ্গে আনসার ভিডিপি কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদনপত্রের সঙ্গে আনসার ভিডিপির জাল প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র সংযুক্ত করেন।
ওই সনদপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আনসার ভিডিপি কোটায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পান এবং ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চাকরি করেন। এরপর বেতন-ভাতা হিসাবে প্রত্যেকে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৬ টাকা করে মোট ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮ টাকা গ্রহণ করেন। মামলার এজাহারে এই অর্থকে ‘আত্মসাৎ’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
পরবর্তীসময়ে অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আনসার ভিডিপি সনদপত্র জাল জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসএম/এমকেআর/জেআইএম