সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাজে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে- এমন অভিযোগ এনে ওই কমিটির এক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া আবু সাঈদ মারজান চবি শাখা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ১২ জন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের একজন ছিলেন।
মঙ্গলবার (৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা পদত্যাগপত্রে এ ঘোষণা দেন তিনি।
ছাত্রলীগের প্যাডে নিজের সই করা পদত্যাগপত্রে আবু সাঈদ মারজান উল্লেখ করেন, ‘চবি ছাত্রলীগ হাজার হাজার নেতাকর্মীর ঘাম এবং রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি ইউনিট। দুইজন ব্যক্তির (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) ক্রমাগত নোংরা কাজের মাধ্যমে এই ইউনিটের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আমি চবি ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘চবি ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি নানা সময়ে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এই কমিটির সর্বোচ্চ পদধারীরা ব্যক্তিগত কারণে নেতিবাচক ভাবে বারবার সমলোচিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় আমি স্বেচ্ছায় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’
এ বিষয়ে জানতে আবু সাঈদ মারজানের মোবাইল ফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কাছে কেউ পদত্যাগপত্র নিয়ে আসেননি। ব্যক্তিগত হতাশা থেকে কেউ পদত্যাগ করতে পারেন। এ ব্যাপারে আমি বলতে পারবো না। তাছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে শাখা ছাত্রলীগের কাজে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
২০১৯ সালে ১৪ জুলাই রেজাউল হক রুবেলকে সভাপতি ও ইকবাল হোসেন টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পরে তাদের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। এক বছর মেয়াদি এই কমিটির বয়স বর্তমানে ৪ বছরের অধিক।
আহমেদ জুনাইদ/কেএসআর