জাতীয়

তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটিয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক

দেশের সব নাগরিককে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় নিয়ে আসতে ১৯৯৮ সালে চালু হয় কমিউনিটি ক্লিনিক। যা বাংলাদেশে তৃণমূলপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সুফল পৌঁছাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা জাতিসংঘে ‘দি শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ শিরোনামে প্রস্তাব হিসেবে গৃহীত হওয়ার বিষয়ে এই ব্রিফিং করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, ১৬ মে জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার একটি প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়। ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক মডেল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবনীমূলক নেতৃত্বকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে।

তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সেহেলী সাবরীন বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল উদ্ভাবনীকে স্বীকৃতি দিয়ে এটিকে শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ হিসেবে উল্লেখ করে। এটি জনগণের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় সাম্য আনতে বাংলাদেশের দৃঢ়প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি তুলে ধরেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনস্বরূপ জাতিসংঘের ৭০টি দেশে এই প্রস্তাবে কো-স্পন্সর করে।

আইএইচআর/জেডএইচ/জিকেএস