ইউরোপের ফুটবলে সব সময়ই চাপ থাকে প্রচুর। বিশ্বের সব ভালোমানের ফুটবলার, তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা, জনপ্রিয়তা, দর্শক- সব মিলিয়ে ইউরোপের ফুটবলের তুলনাই হয় না বিশ্বে। সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে চাপ কম থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
তবে সদ্য বার্সেলোনা থেকে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএস লিগে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেয়া সার্জিও বুস্কেটস মনে করেন, দুই মহাদেশের ফুটবলের চাপ তুলনা করলে, দুইটা ভিন্নরকম। অর্থ্যাৎ, ইউরোপের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে চাপ ভিন্ন। তবে কোনো অংশেই কম নয়।
ইন্টার মিয়ামির হয়ে মাঠে নামার একদিন আগে এ মন্তব্য করেন বুস্কেটস। তার সঙ্গে মিয়ামির জার্সিতে অভিষেক হওয়ার কথা লিওনেল মেসিরও। কোচ জেরার্ডো (টাটা) মার্টিনের অধীনে অনুশীলন করতে গিয়ে একফাঁকে মিডিয়ার সামনে এসব বলেন বুস্কেটস।
কোচ জেরার্ডো মার্টিনে মেসি-বুস্কেটসসের জন্য পুরাতন নন। তিনি এর আগে এই দুই ফুটবলারের কোচ ছিলেন বার্সেলোনায়। তার অধীনেই ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলতে নামবে ইন্টার মিয়ামি, মেসি এবং বুস্কেটস।
ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলে অনুশীলনের সময় বুস্কেটস বলেন, ‘ফুটবলের ভাষায় বলতে গেলে, আমি এখানে এসেছি মাত্র কয়েকদিন আগে। সব মিলিয়ে মাত্র তিনদিন পার হয়েছে। তবে, এ সময়ের মধ্যে যা বুঝতে পারলাম, এখানে ফুটবল সংস্কৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে সবচেয়ে যেটা বেশি চোখে পড়ছে, সেটা হলো আপনি হেরে গেলেন নাকি জিতে গেলেন, তা খুব একটা ভাবায় না সংশ্লিষ্টদের। দিনের শেষে এটাই বাস্তবতা।’
আমেরিকান ফুটবলে চাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটা জানিয়ে বুস্কেটস বলেন, ‘চাপের দিক থেকে এটা একেবারেই ভিন্ন একটি ব্যাপার।’
বুস্কেটসকে নতুন পরিবেশে শুরু করতে হলেও এখানে একেবারেই একা নন তিনি। সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছেন দীর্ঘদিনের সতীর্থ লিওনেল মেসিকে। এরই মধ্যে ইন্টার মিয়ামি ঘোষণা করেছে বার্সার লেফটব্যাক জর্ডি আলবাকেও নিয়ে আসছেন তারা। এছাড়া শোনা যাচ্ছে লুইস সুয়ারেজ এবং আন্দ্রে ইনিয়েস্তাও দক্ষিণ ফ্লোরিডায় এসে ঘাঁটি তৈরি করবেন।
আইএইচএস/