চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি শিক্ষক নিয়োগের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ সূত্র।
জানা গেছে, সাকিকুননাহার নামে এক নিবন্ধনধারী ৬৩ নম্বর পেয়ে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করেন। তিনি যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছিলেন, সেখানে ৬১ নম্বর পাওয়া এক প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। তবে তিনি সুপারিশ পাননি।
আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁস মামলায় গ্রেফতার আইডিয়ালের শিক্ষিকা সাময়িক বহিষ্কার
বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। রিটের শুনানি শেষে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন আদালত। ফলে থমকে যায় নিয়োগ কার্যক্রম।
এনটিআরসিএ বলছে, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির নিয়োগ কার্যক্রম সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়েছে। এখানে ভুলের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এজন্য হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে চেম্বার আদালতে আপিল করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিআরসিএ’র একজন কর্মকর্তা জানান, হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবেদনের শুনানি হওয়ায় কথা আছে। শুনানির পর আদালত যদি হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন, তাহলে দ্রুত চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে।
আরও পড়ুন: ‘সহকারী মৌলভী’ পদে জটিলতায় আটকা ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ
এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান বলেন, আইনি জটিলতায় নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেছে। বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবিলা করছি আমরা। দ্রুত চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে।
২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সুপারিশের ফল প্রকাশ করা হয় গত ১২ মার্চ। এতে দেশের স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ৩২ হাজারের বেশি প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়।
আরও পড়ুন: ফের আইনি জটিলতার ফাঁদে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ
এর প্রায় দেড় মাস পর তাদের চূড়ান্ত সুপারিশের জন্য প্রথমবারের মতো অনলাইনে ভি-রোল ফরম পূরণের নির্দেশ দেয় এনটিআরসিএ। এরপর আরও দুই দফায় ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হয়।
এএএইচ/জেডএইচ/এমএস