শতভাগ রপ্তানির জন্য বন্ড সুবিধায় পলি নিটেড ফেব্রিক্স আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে ওভেন স্যুটিং অ্যান্ড পেন্টিং কাপড়। মিথ্যা ঘোষণায় চীন থেকে এ ধরনের ফেব্রিক্স আমদানি করেছে নারায়ণগঞ্জের নাজমুল হোশিয়ারি প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে।
বুধবার চট্টগ্রাম কাস্টমসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) বিভাগের ডেপুটি কমিশনার মো. সাইফুল হক এক বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নাজমুল হোশিয়ারি চীন থেকে শতভাগ পলি নিটেড ফেব্রিক্স আনার ঘোষণা দিয়ে এক কনটেইনারে ৭৯৯ বেইল কাপড় আমদানি করে। আমদানি পণ্যের ঘোষিত মূল্য ছিল ১২ হাজার ২৮০ মার্কিন ডলার। চট্টগ্রামের হালিশহর আনন্দিপুর গেট এলাকার সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান আহসান এন্টারপ্রাইজ পণ্য চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল। সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান গত ১৩ সেপ্টেম্বর এসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।
আরও পড়ুন: রাসায়নিক ঘোষণায় এলো গুঁড়াদুধ, কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
এরপর কাস্টমসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার কর্মকর্তারা চালানটির আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, উৎস দেশ, পণ্যের বর্ণনা পর্যালোচনা করে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির বিষয়ে নিশ্চিত হন। এরপর এসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে চালানটি লক করে খালাস বন্ধ করে দেয় এআইআর শাখা। এরপর গত মঙ্গলবার চালানটি শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে কনটেইনারটিতে প্রায় ২৮ মেট্রিক টন ওভেল স্যুটিং অ্যান্ড পেন্টিং ফেব্রিক্স পাওয়া যায়।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার (এআইআর) মো. সাইফুল হক বলেন, উরুগুয়ের একটি প্রতিষ্ঠানে লেডিস শার্ট রপ্তানির কথা বলে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে কাপড়ের চালানটি আমদানি করে নাজমুল হোশিয়ারি। কিন্তু যে ফেব্রিক্স আমদানি করার কথা, তা না করে স্যুটিং ও পেন্টিং ফেব্রিক্স আমদানি করে। আমদানির এসব কাপড় খোলা বাজারে বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল তারা। এতে প্রায় এক কোটি টাকার মতো শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
ইকবাল হোসেন/বিএ/জিকেএস