জাতীয়

নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে কাজ করছে র‌্যাব

নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে কাজ করছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। যে সমাজে বৃদ্ধ, নারী শিশু নির্বিশেষে সকলেই নিরাপত্তায় থাকবে, নিরাপত্তা নিয়ে চলাচল করতে পারবে।শনিবার র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন পরিকল্পনার কথাই জানালেন বাহিনীটির মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। র‌্যাবের ১২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৪৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এ অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।বেনজীর আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই র‌্যাব জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে কাজ করেছে। ১২ বছর আগে স্বাধীনতা দিবসে র‌্যাব আত্মপ্রকাশ করেছিল। দেশের মানুষের সহযোগীতায় এতো পথ পেরিয়ে এসেছে র‌্যাব।র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, ক্রিমিনালদের সনাক্ত ও জঙ্গিবাদ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতার বিকল্প নেই। শুধু মাত্র রাষ্ট্র ও সরকার কর্তৃক অর্পিত মামলার তদন্ত করে র‌্যাব। তবে এর সংখ্যাও কম নয়। এখন পর্যন্ত র‌্যাবের তদন্ত সন্তুষ্টজনক। তবে আগামীতে যেন আমরা আরও ভাল কিছু করতে পারি সে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।তদন্তের ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে কি ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করে জানতে চাইলে র‌্যাব ডিজি বলেন, র‌্যাব একটি এলিট ফোর্স। ৭টি বাহিনী ও ৮টি প্রতিষ্ঠান মিলে র‌্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়। সব বাহিনীর নির্বাচিত সদস্য র‌্যাবে কাজ করছে। র‌্যাবে রয়েছে দেশের সর্বাধুনিক ফরেনসিক ল্যাব। তৈরি করা হয়েছে ক্রিমিনাল ডেটাবেইজ। সম্প্রতি জেল ডেটাবেইজ তৈরি করা হয়েছে।তনু হত্যায় র‌্যাব তদন্ত করছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, র‌্যাব ঘটনার পর থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। খুব শিগগিরই হয়তো খবু ভাল খবর দিতে পারবো।জঙ্গিবাদের কোনো বর্ডার নাই। প্রতিবেশী কিংবা দূর প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসী কার্যক্রমে আক্রান্ত হলে আমরা সেখান থেকে শিক্ষা নেয়ার চেষ্টা করি। এর মাধ্যমে নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল ও ব্যবস্থাপনা হালনাগাদ করা হয়।তিনি আরো বলেন, জঙ্গিবাদ, দক্ষিণাঞ্চলে দস্যুতা ও মানবপাচার, মাদকের আগ্রাসন, চাঁদাবাজি দমনসহ নিজস্ব গোযেন্দা সক্ষমতা বাড়ানো এবং চলমান সংস্কার কার্যক্রমকে আরও বেগবান করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে জনগণের সঙ্গে আরও কার্যকর সম্পর্ক উন্নয়ন করা হবে।অনুষ্ঠানে র‌্যাবের সব ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও), বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।জেইউ/এএইচ