দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দেশের প্রথম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে প্রথম নারী প্রার্থী হচ্ছেন এনজিওকর্মী মিসেস নবীনা চাকমা। প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমাদানের মধ্যদিয়ে পাহাড়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলেন তিনি।স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন সীমান্ত ঘেঁষা তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন নবীনা চাকমা।মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষদিন তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল হকের কাছে মনোনয়ন ফরম জমাদানের মাধ্যমে ইতিহাসের অংশ হলেন তিনি। এর আগে পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে আর কোনো নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।মাটিরাঙ্গার প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকবেন কি-না বিষয়টি নিশ্চিত না হলেও দেশের প্রভাবশালী দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অপরাপর শক্তিশালী প্রার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তার মনোনয়ন ফরম জমা দেয়াকে তৃনমূল পর্যায়ের রাজনীতিতে ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখছেন উপজেলার সচেতন ভোটার মহল।ব্যক্তিগত জীবনে এক কন্যা সন্তানের জননী মিসেস নবীনা চাকমা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সমাজের অবহেলিত নারীদের কথা কেউ বলেন না। সবাই যার যার দল এবং রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত। তাই আমি অবহেলিত নারীদের কথা বলতে চাই।রাজনীতি নয় আধুনিক তাইন্দং বিনির্মাণসহ গরিব-মেহনতি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান তিনি।তিনি বলেন, পাহাড়ি-বাঙালি নানা জাতি-ধর্ম আর বর্ণের মিলনক্ষেত্র তাইন্দং ইউনিয়নকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।দেশের সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়ন হচ্ছে উল্লেখ করে নবীনা বলেন, তাইন্দংয়ের উন্নয়নে নারী-পুরুষের ভেদাভেদ ভুলে সকলের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করতে চাই।মুজিবুর রহমান ভুইয়া/বিএ