মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও দৌলতপুর উপজেলার ২০ ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১৮২টি। এর মধ্যে ১৪৮টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৯২টি। ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার এ উপজেলা দুটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, প্রার্থীদের বাড়ির সন্নিকটে, দুর্গম এলাকা এবং গোলযোগ হতে পারে এমন কেন্দ্রগুলোকেই ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়। হরিরামপুর ও দৌলতপুর উপজেলার ১৮২টি কেন্দ্রের ৮৬টি পদ্মা-যমুনার চরে অবস্থিত। দৌলতপুর উপজেলার ৮ ইউনিয়নের ৭৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৪ টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়েছে ৫২টি। হরিরামপুর উপজেলার ১২ ইউনিয়নের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৪০টি। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি কেন্দ্র। পুলিশ সুপার জানান, কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট, এএসপি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসারসহ পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পুলিশের মোবাইল টিম, ভ্রাম্যমাণ আদালত, র্যাব ও বিজিবির টহল থাকবে পুরো নির্বাচনী এলাকায়। সাধারণ কেন্দ্রগুলোর চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বেশি থাকবে।মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন জাগো নিউজকে জানান,শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে যাবতীয় প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আশা করনে, কোন রকম গোলযোগ ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।এদিকে বুধবার সকাল থেকে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি (ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, অমোছনীয় কালি) সংশ্লিষ্ট রিটানিং অফিসারের কার্যালয় থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্র পাঠানো হচ্ছে। এরই মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছেছে র্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মানিকগঞ্জের সাত উপজেলার মধ্যে হরিরামপুর ও দৌলতপুর উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে প্রথম পর্যায়ে ভোট হচ্ছে। বি.এম খোরশেদ/এসএস/আরআইপি