আন্তর্জাতিক

পরমব্রত-পিয়ার বিয়ে, বিপাকে বিজেপি নেতা অনুমপ হাজরা

গত সোমবার ২৭ নভেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী পিয়া চক্রবর্তী। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের সাবেক স্ত্রী হলেন পিয়া চক্রবর্তী। আবার অনুপমের ভালো বন্ধু পরমব্রত। সব মিলিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বন্ধুর সাবেক স্ত্রীকে বিয়ে করার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ট্রলের শিকার হতে হয়েছে পরমব্রতকে। এরই মধ্যে ঘটেছে অবাক করার মতো ঘটনা।

‘পরম-পিয়া’ বিয়ে নিয়ে ট্রলের শিকার হতে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরাকে। মূলত ‘অনুপম’ নাম নিয়েই এমন ‘ভ্রান্তিবিলাস’ পশ্চিমবঙ্গবাসীর। অথচ বিজেপি নেতা অনুপমের সঙ্গে পিয়া ও পরমব্রতের কোনো দূরের সম্পর্ক পর্যন্ত নেই।

অনুপম হাজরা জানিয়েছেন, পরমব্রত ও পিয়ার বিয়ের পর অনেকেই তাকে হোয়াটসঅ্যাপে সহানুভূতি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিজেপি নেতা লিখেছেন, আগামী দুই-তিন দিন সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘অনুপমকে’ নিয়ে কেউ কোনো পোস্ট করলে দয়া করে ‘হাজরা’ না ‘রায়’ একটু উল্লেখ করবেন। কারণ অকারণে আমি সহানুভূতিমূলক মেসেজ পেয়েই চলেছি।

অনুপম হাজরার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পোস্টটি করার পরেই দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন নেটিজেনরা। কেউ কেউ বলছে, শুধুই মাত্র প্রচার পাওয়ার জন্যই বিজেপি নেতার এই ধরনের পোস্ট।

তবে অনুপম হাজরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়াও বুধবার (২৯ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, কাল থেকে আমার কাছে প্রচুর সহানুভূতির ম্যাসেজ আসছে। পরে জানা গেলো যে, অনুপম রায়কে যে সহানুভূতি দেওয়া হচ্ছিল, তা আমাকে পাঠানো হচ্ছে। ১৫-২০ মিনিট আগেও একটা ম্যাসেজ পেয়েছি।

বিজেপির কেন্দ্রীয় এ নেতা আরও বলেন, আমার তো এখনো বিয়েই হলো না। একটা বিয়ে না হওয়া মানুষকে এরকম ম্যাসেজ পাঠাচ্ছেন। এগুলো বিব্রত করে। কাজের মধ্যে থাকি, সেই সময় ম্যাসেজ এসেছে, ভেঙে পড়ো না অনুপম। ভেঙে পড়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আপাতত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়েই ব্যস্ত আছি।

ডিডি/এসএএইচ