ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকদের দুর্ব্যবহারে অসহায় রোগী ও সাধারণ মানুষ। সিভিল সার্জন বরাবরে একাধিক অভিযোগ করলেও এখনো মেলেনি কোনো প্রতিকার।সরেজমিনে বুধবার ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, করিডোরে চিকিৎসা নেয়ার জন্য প্রায় ২ শতাধিক রোগী অপেক্ষা করছেন। কিন্তু ডাক্তার সময় মতো না আসার কারণে সময়ের সঙ্গে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। হঠাৎ ১.১০ মিনিটে অর্থসার্জারি চিকিৎসক ডা. জিল্লুর রহমান সিদ্দিকি চেম্বারে প্রবেশ করেন। রুমে ও আউট ডোরে অনেক রোগী অপেক্ষা করছেন। রুমে ঢুকেই ডা. সাহেব রোগীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার শুরু করেন। এক পর্যাযে এক রোগীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর ওই রোগী ডাক্তার না দেখিয়ে অসহায় হয়ে চলে যান।ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে শুধু ডা. জিল্লুর রহমান খারাপ ব্যবহার করেন তেমনটা না প্রায় প্রতিদিন বেশির ভাগই চিকিৎসকই খারাপ ব্যবহার করেন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে এমনটি অভিযোগ রয়েছে।আব্দুল সামাদ নামে এক রোগী জানান, কয়েকদিন আগে পড়ে গেছিলাম। তাই হাড়ের ডাক্তারের কাছে এসেছি। কিন্তু ডাক্তার যে ব্যবহার করলো তা খুব খারাপ লাগলো।আর এক ভুক্তভোগী শামসুন নাহার জানান, হাসপাতালে আসলেই ডাক্তার ও নার্সদের খারাপ ব্যবহারের শিকার হতে হয়। এ থেকে সাধারণ মানুষ রেহাই চায়। ডাক্তাররা ভাল ব্যবহার করলে রোগীরা এমনিতেই সুস্থ হয়ে ওঠে।এ সম্পর্কে ডা. জিল্লুর রহমান জানান, রোগীদের কারণেই অনেক সময় খারাপ ব্যবহার করতে বাধ্য হই। তবু আমরা হাসপাতালে রোগীদের ভালভাবে চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করি।ঠাকুরগাঁও জেলা সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম জানান, রোগীর তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা খুবই কম। তাই অনেক সময় রোগীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার হয়ে থাকে।রবিউল এহসান রিপন/এসএস/এমএস