জাতীয়

সাগরে নিম্নচাপ: চট্টগ্রাম বন্দরে অ্যালার্ট-১ জারি

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ এখন চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এ অবস্থায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দরে নিজস্ব অ্যালার্ট-১ জারি করা হয়েছে।

Advertisement

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, ‘বন্দরে নিজস্ব অ্যালার্ট-১ জারি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বন্দর জেটি এবং বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় থেকে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষায় সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। আবহাওয়া অফিসের নির্দেশনা মেনে আমরাও নিজস্ব অ্যালার্ট জারি করবো।’

আবহাওয়া অফিস ৪ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করলে চট্টগ্রাম বন্দর নিজস্ব অ্যালার্ট-২ জারি করে। এছাড়া ৫ নম্বর থেকে ৭ নম্বর পর্যন্ত বিপদ সংকেত জারি করলে চট্টগ্রাম বন্দর নিজস্ব অ্যালার্ট-৩ জারি করে। তখন বহির্নোঙর ও জেটিতে পণ্য খালাস বন্ধ করে দেওয়া হয়। জেটি থেকে জাহাজগুলো পাঠিয়ে দেওয়া হয় সাগরে। এছাড়া মহাবিপদ সংকেত ৮, ৯ ও ১০ হলে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক নিজস্ব অ্যালার্ট-৪ জারি করে। তখন বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। জেটি, যন্ত্রপাতি ও পণ্যের সুরক্ষার জন্য ১৯৯২ সাল থেকে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

আরও পড়ুন৫০০ কিমির মধ্যে গভীর নিম্নচাপনিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামে বৃষ্টি শুরু, সাগর উত্তাল

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা নুরুল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘দেশের সমুদ্রবন্দর সমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। নিম্নচাপটি রাতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বাতাসের পাশাপাশি বৃষ্টিপাতও অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে।’

এএজেড/কেএসআর/জেআইএম

Advertisement