নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের অর্থ উপদেষ্টা আরিফুল হাসান ও তার দুই সহযোগিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি নূর হোসেনের অনুপস্থিতিতে নুর হোসেনের ৪নং ওয়ার্ডে বিজয়ী নাসিক কাউন্সিলর। আটক অন্য দুইজন হলেন, সুমন হোসেন ও আক্তার হোসেন।বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব-১১ এর একটি টিম আদমজী ইপিজেডের সামনে একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের আটক করেছে। আদমজীতে অবস্থিত র্যাব-১১ এর লেঃ কমান্ডার গোলজার হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে জানান, বিকেল সাড়ে ৪টায় আদমজী ইপিজেডের মূল ফটকের সামনে একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের আটক করা হয়। এ তিনজনের কাছ থেকে ৪৮টি ক্যান বিয়ার ও ৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনজনের একজন নূর হোসেনের অর্থ উপদেষ্টা ও নাসিক কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসান। বাকী দু’জন তার সহযোগী। প্রসঙ্গত, আরিফুল হক হাসান আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের অর্থ উপদেষ্টা ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টারের ছেলে। নূর হোসেন আরিফুল হক হাছাসকে শিমরাইল পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি করেন। এছাড়াও আরিফুল হক হাসানের নামে একটি বাইশ বোর রাইফেল (লাইসেন্স নম্বর ১২২/১২) এবং পিস্তল (লাইসেন্স নম্বর ২৮৫/১৩) করে দিয়েছিল নূর হোসেন। সেভেন মার্ডারের পর প্রশাসন অস্ত্রগুলোর লাইসেন্স বাতিল করলে তার বাবা জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অস্ত্রগুলো জমা দেয়। সেভেন মার্ডারের পর নুর হোসেনের সঙ্গে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় আরিফুল হক হাসানও। গত বছরের ১১ জুলাই এলাকায় ক্যাডার বেষ্টিত হয়ে ফিরে আসে আরিফুল হক হাসান। পরবর্তীতে নুর হোসেনের লোকদের সহযোগিতায় গত বছরের ২ আগস্ট নূর হোসেনের শূন্য ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয় আরিফুল হক হাসান।শিপলু/এমএএস/পিআর