এবার পালা ভর্তিযুদ্ধের

মুরাদ হুসাইন
মুরাদ হুসাইন মুরাদ হুসাইন , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:১১ এএম, ২৫ জুলাই ২০১৭

কদিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়সহ মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজের ভর্তিযুদ্ধ। ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

গত রোববার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে। এবার পাস করেছেন মোট ৮ লাখ ১ হাজার ৭১১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন। আর জিপিএ-৪ থেকে ৫ এর নিচে রয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৭ জন।

এদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ। এর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত ৭টি কলেজে স্নাতক (সম্মান) ও পাস কোর্সে আসন প্রায় সাড়ে ৪ লাখ।

অর্থাৎ এবার উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি আসন রয়েছে। এতে করে আসন খালি থাকবে। তবে আসন বেশি থাকলেও ভর্তিযুদ্ধ হবে মূলত বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে।

কিন্তু এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে অন্তত ৮ পয়েন্টের প্রয়োজন হয়। এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ ও জিপিএ ৪-৫ এর মধ্যে পেয়েছেন যথাক্রমে ৩৮ হাজার ও ২ লাখ ১৬ হাজারের মতো শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট ৫১ হাজারের মতো আসনের বিপরীতে আবেদন করার মতো যোগ্যতা রয়েছে আড়াই লাখের কিছু বেশি প্রার্থীর।

বর্তমানে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪২টি। এরমধ্যে ৩৭টির শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। তবে জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বাদে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ৫০ হাজার ৮৩৬টি। এর বাইরে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে রয়েছে আরও প্রায় ১১ হাজারের মতো আসন।

সব মিলিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানে আসন রয়েছে ৬২-৬৩ হাজারের মতো। এইচএসসি উত্তীর্ণ ভালো ফলাফলধারী শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগেরই প্রথম টার্গেট থাকে এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ এবং টেক্সটাইল লেজ ও মেরিন একাডেমিতে ভর্তি হওয়া। ফলে এবার উচ্চশিক্ষার ৫১ হাজার আসন নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

student

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজ ঘিরে তীব্র ভর্তিযুদ্ধ হলেও এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী পাবে না অনেক প্রতিষ্ঠান। সেইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠান কাঙিক্ষত শিক্ষার্থী পাবে না। কেননা এবার মোট আসনের চেয়ে পাসকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম।

এরইমধ্যে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যায়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ অক্টোবর, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ নভেম্বর, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ অক্টোবর, বাংলাদেশ টেক্সটাইল  বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ নভেম্বর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ নভেম্বর, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ নভেম্বর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ ডিসেম্বরে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। 

অন্যদিকে, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ থেকে ৮ নভেম্বর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ১৮ নভেম্বর, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ ও ১০ নভেম্বর, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ অক্টোবর, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ ও ২১ ডিসেম্বর, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ থেকে ৪ নভেম্বর, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ২০১৮ সালের মার্চ মাসের  ৪র্থ সপ্তাহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ থেকে ১৮ অক্টোবর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ থেকে ৩০ অক্টোবর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ থেকে ২৯ নভেম্বর, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে ২৪ ও ২৫ নভেম্বর, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ ও ১৮ নভেম্বর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ থেকে ২৩ নভেম্বর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪ ও ২৫ নভেম্বর, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ নভেম্বর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

অপরদিকে, দেশের বৃহত্তম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে আগামী ২৪ আগস্ট থেকে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) সূত্র জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটি সেমিস্টারের হিসেব ধরে চলতি শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষায় মোট আসন সংখ্যা ৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩৪৩টি। এরমধ্যে সরকারি ৩০টি মেডিকেল কলেজে আসন ৩ হাজার ২১২টি, বেসরকারি ৬৪টি মেডিকেল কলেজে আসন প্রায় ৬ হাজার, সরকারি ৯টি ডেন্টাল কলেজে আসন ৫৬৭টি ও বেসরকারি ১৪ ডেন্টাল কলেজে আসন ৮৯০টি।

এছাড়াও সরকারি ৬টি টেক্সটাইল কলেজে আসন ৪৮০টি, একটি মেরিন একাডেমি কলেজে আসন ৩০০টি, বেসরকারি ১৭ মেরিন একাডেমিতে আসন এক হাজার ৩৬০টি।  দুটি আর্ন্তজাতিক বিশ্ববিদ্যালয়েও সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

এর বাইরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সেমিস্টারে আসন রয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে আসন সংখ্যা ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৯৩০টি এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ৭৭৭টি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথমবর্ষে আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৬৮৮টি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ৮২২টি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ২০০টি, বুয়েটে ১ হাজার ৩০টি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ৬৭৪টি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ২৫২টি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬৯৫টি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬৫৫টি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬৫টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩১০টি, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০০টি, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৯৫০টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭৯টি, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৮৫টি, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬২২টি, রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৭০টি, চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০০টি, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৭০টি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮২৫টি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৬৭টি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৮৫০, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১৩৫টি, চট্টগ্রাম ভেটেনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটিতে ২৩০টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২০টি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৫০টি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে ৯২৭টি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ২৩০টি, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৪০টি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ২২টি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩৪০টি, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০টি এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১৯৬টি আসনে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অন্যতম আগ্রহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলেও চলতি শিক্ষাবর্ষের হিসেব মতে, ঢাবিতে আসন সংখ্যা মাত্র ৬ হাজার ৬৮৮টি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ফার্মেসিতে আসন মাত্র ৬৫টি, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আসন ৭০টি, ফলিত রসায়ন ও কেমি কৌশলে ৬০টি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৬০টি এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আসন মাত্র ২৫টি।

ঢাবির তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আসন মাত্র ৩০টি। এছাড়া পদার্থ, গণিত, রসায়ন, পরিসংখ্যান, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রানরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগেও আসন একেবারেই কম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি চাহিদা তুঙ্গে থাকলেও আসন মাত্র এক হাজার ১৭০টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা, একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস, মার্কেটিং, ফিনান্সের প্রতিটিতে আসন সংখ্যা ১৮০টি করে। ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্সে ১২০টি, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসের প্রতিটিতে আসন ১১০টি করে। 

তবে ঢাবিতে কিছু বিভাগে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ একেবারেই কম। অন্য বিষয়ে সুযোগ না পেয়ে এখানে ভর্তি হন অনেকে। পরে সুযোগ হলে মাইগ্রেশন করে অনেকে চলেও যান। এতে কিছু আসন ফাঁকা পড়ে থাকে।

ঢাবির কলা অনুষদের সংস্কৃত, পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ, উর্দু, শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের প্রতিটিতে আসন সংখ্যা প্রায় ১০০টির মতো। এখানে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে কম আগ্রহী। কিন্তু ভালো বিষয়গুলোর বেশি চাহিদা থাকলেও সেসব বিভাগে আসন বাড়ানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের।

এসব বিষয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, উচ্চশিক্ষায় আসনের কোনো ঘাটতি নেই। হয়তো সবাই পছন্দের জায়গায় ভর্তি হতে পারবে না। আর সবাইকে যে উচ্চশিক্ষা নিতে হবে, সেটাও ঠিক নয়। কারিগরি শিক্ষায়ও শিক্ষার্থীদের যাওয়া উচিত। 

এমএইচএম/এসআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।