জাবির ৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছিনতায়ের অভিযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৮:৩০ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
জাবির ৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছিনতায়ের অভিযোগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুই পোষ্য শিক্ষার্থীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ছিনতায়ের অভিযোগ করেছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

ছিনতাইয়ের শিকার মো. মাসুদ পারভেজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ৪৩তম আবর্তনের শিক্ষার্থী। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর তিনি এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ্য করেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) তার পরিবার, বন্ধু ও তার চাচাতো বোনকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসেন। সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমঞ্চের কাছ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী মাসুদের বন্ধুকে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ মাঠে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার নাম বলে ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।

টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার কাছে থাকা মানিব্যাগ থেকে ২৭০০ টাকা, মোবাইল ও ঘড়ি কেড়ে নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। পরে মাসুদ অপরাধীদের শনাক্ত করে।

অভিযোগকারীর মতে ছিনতাই কারীরা হলেন- ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মো. সজিবুল উপল, নৃবিজ্ঞান বিভাগের মাহাবুব শান্ত, ইতিহাস বিভাগের অরবিন্দ ভৌমিক, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের দ্বীপ বিশ্বাস, ইংরেজি বিভাগের ডিউক রায়।

তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম ব্যাচের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে সজিবুল উপল স্কুল ও কলেজের এক শিক্ষক ও মাহাবুব বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডেপুটি রেজিস্ট্রারের ছেলে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে মো. সজিবুল উপল বলেন, আমি পাশে ছিলাম। দেখেছি তারা মাসুদ ভাইয়ের বন্ধুকে মেরেছে। তবে ছিনতাইয়ের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা আমার কাছে ছিনতাইয়ের কথা শিকার করেছে।

তবে আমার নাম ভাঙ্গিয়ে ছিনতাই কেন করেছে তা অভিযুক্তকারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা শুধু আপনাকে ডেকে ধরিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়েছি। আপনার নাম করে টাকা দাবি করি নাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, অভিযোগ অফিসে জমা দিয়েছে শুনেছি। তবে এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাফিজুর রহমান/এএম/এমএস

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com