মধ্যরাতে ইবিতে হাফডজন ককটেল বিস্ফোরণ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ইবি
প্রকাশিত: ০৭:০৯ এএম, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭
মধ্যরাতে ইবিতে হাফডজন ককটেল বিস্ফোরণ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হল এলাকায় মধ্যরাতে হাফডজন ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ককটেলের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে হয়ে পড়ে বিশ্ববিদালয়ের আবাসিক হলগুলোর শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫০ থেকে একটা ৭ মিনিটের মধ্যে পরপর ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধার এক সন্তানকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সভাপতি এবং শাকিল আহম্মেদ সুমন গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে দিনভর উত্তেজনার পর রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে লালন শাহ হলের পিছনে পরপর দুইটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে।

এরপরই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের দুইজন কর্মী হলের ছাদে ওঠে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। হলের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের জন্য পাল্টা তারা হলের ছাদে পরপর চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় লালন শাহ হলসহ অন্য আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

লালন শাহ হলের দক্ষিণ ব্লকের চার তলায় অবস্থানকারী এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘বারান্দায় দাঁড়িয়ে মোবাইলে কথা বলছিলাম। এসময় হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। প্রথমে রাস্তায় গাড়ির টায়ার বাস্ট হয়েছে বলে মনে করলেও পরে আরো একটি শব্দ হয়। এর পরপরই সভাপতি গ্রুপের দুই কর্মী হলের ছাদে ওঠে। পরে আমি ভয়ে রুমে চলে গেলে আরো চারবার শব্দ শুনতে পাই।’

ওই হলে অবস্থানকারী ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমি ঘুমাচ্ছিলাম। সকালে উঠলে নেতাকর্মীরা বিষয়টি আমাকে অবগত করে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এসএম নাসিমুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘গতকাল মুক্তিযোদ্ধার ওই সন্তানের বিষয়টি আমি হলে গিয়ে সকলের উপস্থিতিতে সমাধান করে দিয়েছি। পরে রাতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে বিষয়টি কারো জন্য মঙ্গলজনক নয়। বিষয়টি আমি আরো খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

ফেরদাউসুর রহেমান সোহাগ/এফএ/আরআইপি

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com