রাবির স্থগিত হওয়া সমাবর্তন মার্চে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০২:৩৫ এএম, ২১ জানুয়ারি ২০১৮

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্থগিত হওয়া দশম সমাবর্তন মার্চ মাসে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে সমাবর্তন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিবন্ধনে বাদ পড়া গ্র্যাজুয়েটদের অংশগ্রহণের জন্য ২৩ জানুয়ারি থেকে নিবন্ধন শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার জানান, ‘সমাবর্তন আয়োজনের সব প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে অংশগ্রহণের তারিখ নিশ্চিত করলে সে অনুযায়ী সমাবর্তনের বক্তা নির্ধারণ করা হবে।’

অধ্যাপক প্রভাষ কুমার জানান, দশম সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ২৩ জানুয়ারি থেকে আবারও নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে পিএইচডি, এমফিল, স্নাতকোত্তর এবং এমবিবিএস, বিডিএস ও ডিভিএম ডিগ্রি অর্জনকারীরা এতে অংশ নিতে পারবেন।

তিনি আরো জানান, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৭০ টাকা জমা দিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধন প্রক্রিয়াসহ বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www. ru. ac. bd) পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে যারা নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন তাদের আর নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে না।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করার জন্য রাষ্ট্রপতির সময় চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা আবেদন করেছি। আমরা চেয়েছি সময়টা মার্চে হলে ভালো হয়। দ্রুতই তারিখ নিশ্চিত হবে বলে আশা করছি।

তিনি আরো জানান, গত প্রশাসনের আমলে গঠিত কমিটি কিছুটা সংযোজন-বিয়োজন করে নতুন কমিটি করা হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে এই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ২০১৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম সমাবর্তন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই বছরের ৩ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে পিএইচডি, এমফিল, স্নাতকোত্তর এবং এমবিবিএস, বিডিএস ও ডিভিএম ডিগ্রি অর্জনকারী প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। ২০১৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর সমাবর্তন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়। সাবেক সহ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহানকে আহ্বায়ক করে সমাবর্তন প্রস্তুতি কমিটিও গঠন করা হয়। কিন্তু সমাবর্তন বক্তা ও প্রশাসনিক জটিলতায় স্থগিত হয়ে যায় সমাবর্তন।

গত বছরের মার্চে উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন ও উপ-উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহানের মেয়াদ শেষ হয়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় সমাবর্তন আয়োজনের সব কার্যক্রম। প্রায় দুই মাস অভিভাবক শূন্য থাকার পর ৭ মে উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক আবদুস সোবহান নিয়োগ পান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত স্নাতকোত্তর, এমবিবিএস, বিডিএস, এমফিল ও পিএইচডি কোর্সের ৪ হাজার ৭৭১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

জেডএ

 

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :